মূল খবরে যান

শিরোনাম
● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল● দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম● সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন● কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য● পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু● উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ● আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর● ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন● জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন● হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক উত্তর শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন

পালংখালীতে তিতাস এলজেআই জেভি’র গুদামে আগুন

শেয়ার করুন

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

উখিয়ার পালংখালীতে “তিতাস এলজেআই জেভি” কোম্পানির গুদামে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আগুন দিয়েছে দৃর্বৃত্তরা। এসময় ক্ষতি হয়েছে প্রায় দেড় কোটি টাকার।

জানা যায়, এই কোম্পানি এডিভির অর্থায়নে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তরের কাজ করছে রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে।

শুক্রবার (৫ ফেব্রুয়ারী) গভীর রাত ২.১৫ মিনিটের দিকে পালংখালীর ফারির বিল আলিম মাদ্রাসার পূর্ব পাশে আনোয়ার হোসেন জাবুর রেজিস্টার্ড জায়গায় অবস্থিত উল্লেখিত ঠিকাদারী কোম্পানির গুদামে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে।

স্থানীয় জনসাধারণ জানান, গভীর রাতে গুদামে হঠাৎ করেই আগুনের সূত্রপাত হয়। গ্রামবাসী কিছু বুঝে ওঠার আগেই আগুন দ্রুত গুদামের চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। গুদামে বেশিরভাগ এইচডিপিই পাইপ থাকায় আগুনের তীব্রতা ছিল বেশি। প্রথমে এলাকাবাসী আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। পরে ফায়ার সার্ভিস এসে প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

তিতাস এলজেআই জেভি কোম্পানির সাইট ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ সাকিল খান দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, গুদামে হঠাৎ আগুন দেখে ৯৯৯ এ কল দিলে তাৎক্ষণিক ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ততক্ষণে পুড়ে যায় গুদামে মজুদ রাখা মূল্যবান জিনিসপত্র।

তিনি আরো জানান, এলাকায় কাজে বাধা সৃষ্টি করতে স্থানীয় একটি পক্ষ ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ তার। বেশ কিছুদিন আগে একটি পক্ষ এই কোম্পানির বিরুদ্ধে মানববন্ধনও করেন বলে জানান তিনি।

কোম্পানির এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার কাজী চন্দন বলেন, এই অগ্নিকান্ডে ৮ হাজার পিছ এইচডিপিই পাইপ এবং ৬ টি ১০ হাজার লিটারের পানির ট্যাংকসহ প্রায় দেড় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

খবর পেয়ে উখিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। উখিয়া থানার ওসি তদন্ত গাজী সালাউদ্দিন বলেন, এ অগ্নিকান্ডের ব্যাপারে থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করা হয়েছে। তবে কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে এখনো জানা যায় নি।

শেয়ার করুন