১১ এপ্রিল, ২০২৬ | ২৮ চৈত্র, ১৪৩২ | ২২ শাওয়াল, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  বার কাউন্সিলে উত্তীর্ণ সিবিআইইউ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা   ●  এআই বিষয়ে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে সেমিনার   ●  প্রতারণা-জালিয়াতিই যেন বেলায়তের নীতি!   ●  উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ   ●  পাতাবাড়ি স্কুল প্রাক্তনদের পুনর্মিলনী ২৮ মার্চ   ●  উখিয়ায় মাত্তুল শফিকের নেতৃত্বে ছাত্রদল নেতাদের উপর সন্ত্রাসী হামলা   ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন

ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের সাঁকো দিয়ে পারাপার নিয়ে দুশ্চিন্তায় চার গ্রামের ১২ হাজার মানুষ

dff
কক্সবাজার সদর উপজেলার ঈদগাঁও ইউনিয়নের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা বর্ধিষœু একটি এলাকার নাম ভাদীতলা, দরগাহপাড়া,শিয়াপাড়া ও হাসিনাপাড়া। বাসষ্টেশনের সাথে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম ঈদগাঁও-ভাদিতলা সড়ক। বিগত বর্ষায় ঢলের পানিতে ভেঙ্গে যাওয়া সড়কের বিশাল ভাঙ্গনের উপর একটি নড়বড়ে কাঠের সাঁকো দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পারাপার করছে চার গ্রামের ১২ হাজার মানুষ। এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে একটি স্থায়ী ব্রীজ নির্মাণের আবেদন জানিয়ে আসলেও বাস্তবায়ন না হওয়ায় আসন্ন বর্ষায় কাঠের সাঁকো পারাপার মহা দুঃশ্চিন্তায় মানুষ। জানা যায়, ঈদগাঁও ইউনিয়নের বন পাহাড় বেষ্টিত ভাদিতলা, দরগাহপাড়া, শিয়াপাড়া ও হাসিনাপাড়া গ্রামগুলিতে ক্রমবর্ধমান ভাবে বসবাস করে আসছে উপকূলীয় পোকখালী ও চৌফলদন্ডী সহ বৃহত্তর ঈদগাঁওয়ের বিভিন্ন এলাকার বর্ধিত জন সংখ্যার একটি বিরাট অংশ। এমন কি জলোচ্ছাস প্রবন মহেশখালী ও কুতুবদিয়ার অনেক মানুষও জমি কিনে এই এলাকায় বসবাস করছে। এছাড়া বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গা নাগরিকও এই এলাকায় বসবাস করছে দীর্ঘদিন ধরে। এ বিপুল সংখ্যক জনসাধারনের চলাচলের একমাত্র এবং প্রধান একটি সড়কের নাম ঈদগাঁও-ভাদিতলা সড়ক। গত বছর বর্ষামৌসুমে ঈদগাঁও নদীর ঢলের পানি পালপাড়ার ভাঙ্গন দিয়ে প্রবেশের ফলে এই সড়কটিও ভেঙ্গে যায়। ওই ভাঙ্গন দিয়ে ঢলের পানি প্রবেশ করে ¯্রােতের ধাক্কায় ভাদিতলা সড়কের একটি বিশাল অংশ ভেঙ্গে যায়। ওই ভাঙ্গনস্থল দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পানি-কাদা মাড়িয়ে পায়ে হেঁটে পার হতে হতে দীর্ঘ মাস পূর্বে একটি কাঠের সাঁকো নির্মাণ করে এলাকাবাসী স্বেচ্ছাশ্রম দিয়ে। ওই সাঁকোটি বর্তমানে নড়বড়ে অবস্থায় পারাপার করছে এলাকাবাসী।এলাকার অধিকাংশ লোকজনের মতে, এ সড়ক দিয়ে চার গ্রামের প্রায় ১২ হাজার মানুষ চলাচল করে থাকে। এলাকাবাসী আজকের কক্সবাজারের এ প্রতিনিধিকে আরো জানায়, পালপাড়া ভাঙ্গাটি স্থায়ী ভাবে সংস্কার না করলে ভাদীতলা সড়ক কোন মতেই রক্ষা করা সম্ভব হবেনা। এমনকি বর্ষা মৌসুমে ফসলী জমি ও অনেক বাড়ীঘর হুমকির মূখে পড়ে। তাই বর্ষা এলে আতংকে থাকে এলাকাবাসী। গেল বন্যায় পানিতে তলিয়ে নিয়ে যাওয়া ভাঙ্গন স্থলটি ছোট্ট একটি খালে পরিনত হয়েছে।  এদিকে  সড়কের বেহাল অবস্থা প্রসঙ্গে ঈদগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী সমন্বয় পরিষদের সচিব নুরুল হাকিমের মতে, ভাদীতলা সড়কটির আজ বেহাল অবস্থা। এলাকাবাসীর স্বার্থে ভাঙ্গন এলাকায় একটি স্থায়ী ব্রীজ  নির্মাণের দাবী জানান তিনি।

ফাইল ছবি

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।