৩০ এপ্রিল, ২০২৬ | ১৭ বৈশাখ, ১৪৩৩ | ১২ জিলকদ, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. আবদুল হাই এর ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ   ●  গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে জেন্ডার ও জলবায়ু বিষয়ক আলোচনা ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত   ●  ঘুমধুমে অবৈধ পাহাড় কাটা: ডাম্প ট্রাকে মাটি যাচ্ছে বদির ক্যাশিয়ার আঃলীগ নেতা খাইরুল আলম চৌধুরী’র ইটভাটায়   ●  সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) শাহিনুর ইসলামের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রতিবাদ   ●  ছাত্রদল নেতা হত্যা মামলার আসামি হলেন রামু থানার নবাগত ওসি আরমান   ●  ইউজিসি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের টিমের সঙ্গে সাউথ কোরিয়া গেলেন লায়ন মো. মুজিবুর রহমান   ●  কক্সবাজার সদর হাসপাতালে দায়িত্ব পেলেন উখিয়ার ডা. নুরুল আবছার শিমুল   ●  উখিয়ায় বসতভিটা দখলকে কেন্দ্র করে হামলা: নারী-পুরুষসহ আহত ৪, এলাকায় আতঙ্ক   ●  বার কাউন্সিলে উত্তীর্ণ সিবিআইইউ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা   ●  এআই বিষয়ে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে সেমিনার

কক্সবাজারে নামী-দামী হোটেলে গ্রাহক নেই, চুটিয়ে ব্যাবসা করছে মূল্য সাশ্রয়ী হোটেল-মেচ

shomoy
পর্যটন নগরী কক্সবাজারে চলমান পর্যটক খরায়  নামী-দামী হোটেল রেস্তোরাগুলো বন্ধ হওয়ার উপক্রম হলেও চুটিয়ে ব্যবসা করে যাচ্ছে মাঝারি ও অপেক্ষাকৃত মূল্য সাশ্রয়ী হোটেলগুলো। প্রায় তিন মাস ধরে চলমান হরতাল-অবরোধসহ রাজনৈতিক অস্থিরতায় পর্যটক না আসায় কলাতলী হোটেল-মোটেল জোন ও শহরের ভিআইপি হোটেল-রেস্তোরা সমূহ প্রায় বন্ধ হওয়ার অবস্থায়। কিন্তু শহরের অলি-গলিতে স্থাপিত ছোট খাট হোটেল-রেস্তোরা ও মেচ সমূহে প্রতিদিন উপচেপড়া খদ্দের দেখা যাচ্ছে। জানাযায়, কলাতলী হোটেল-মোটেল জোন ও শহরের নামী দামী অভিজাত রেস্তোরাগুলো মলতঃ পর্যটক নির্ভর । তাই পর্যটক না আসলে এদের খদ্দেরও কম থাকে । কিন্তু শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থিত   সাশ্রয়ী হোটেলগুলো পর্যটক নির্ভর নয়। কক্সবাজারে সারা বছর সার্বক্ষনিক অবস্থানরত ব্যাবসায়ী, চাকরিজীবি, ছাত্র-শিক্ষক  ও শ্রমিকরাই এ গুলোর বারমাসী খদ্দের । প্রতিদিন ৩ বেলা খাবারের জন্য এসব হোটেলের উপরই মূলত নির্ভরশীল তারা। মূল্য সাশ্রয়ী এসব হোটেলের খাবারও মানসম্মত বলে জানিয়েছেন গ্রাহকরা। তাই ঘরোয়া রান্নার মত খাবার তুলনামূলক কমদামে পাওয়ায় এসব হোটেলে প্রতিবেলায় উপচে পড়া ভীড় দেখা যায়। সরেজমিন দেখা গেছে, সকালে আলু ভর্তা, ভাজি/ডিম অমলেট দিয়ে গরমভাত খাওয়া যায় ২০/২৫ টাকার মধ্যে । কিন্তু একইসময় তথাকথিত নামী-দামী  হোটেলে একই মানের খাবারের জন্য ৬০/৭০ টাকা গুনতে হয় । দুপুর ও রাতের খাবারের বেলায়ও একই অবস্থা। রকমারী শাক-সবজি আইটেম ২০/৩০ টাকার মধ্যে বিক্রি হয় এসব হোটেলে। কিন্তু অন্যান্য দামী হোটেলে এ খাবার ৬০/৭০ টাকায় বিক্রি করা হয়। বিভিন্ন মাছ-মাংস ও মুরগীর তরকারীর বেলায়ও একই অবস্থা। দামে ৩০/৪০ টাকা ফারাক থাকে সবসময়। তাই মূল্যসাশ্রয়ী এসব হোটেল-মেচ  সবসময় জমজমাট থাকে। শহরের হাসপাতাল সড়ক,ঝাউতলা গাড়ীর মাঠ,, আলীর জাহাল ও সিনেমারোডে এসব হোটেল-রেস্তোরা বেশী দেখা যায় । বড় বড় হোটেল গুলোতে ভাতের পাশাপাশি বিভিন্ন নাস্তা বিক্রি হয়। অভিযোগ আছে যে, নাস্তা ভাজার পোড়াতেল দিয়ে তরকারী রান্না করা হয়। কিন্তু কমদামী হোটেলগুলো নাস্তা বিক্রি করেনা । শুধু ভাত বিক্রি করে। তাই এসব হোটেলে পোড়াতেল ব্যাবহারের প্রশ্নই উঠেনা। তাই বিভিন্ন সময়  দেখা যায়, স্বাস্থ্যসচেতন অনেক পর্যটকও এসব হোটেল-মেচে খেতে আসেন। পেশাগত জীবনে সবসময় স্মার্ট ও আধুনিক থাকা ঔষধ কোম্পানীর এম আরগনও এসব হোটেলে নিয়মিত খদ্দের বলে জানাগেছে। ঘরোয়া পরিবেশে স্বাস্থ্যকর খাবার ও সুস্বাদু রান্নার স্বাদ দেয়ায় ব্যাবসায়িক প্রতিযোগিতায় তাই মূল্য সাশ্রয়ী হোটেল-মেচ গুলো এগিয়ে রয়েছে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।