৫ আগস্ট, ২০২৬ | ২১ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ২১ সফর, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর   ●  ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন   ●  জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন   ●  হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক উত্তর শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন   ●  হাসপাতাল ছাড়লেন আহত ৫ বনকর্মী, এসিএফ’র নেতৃত্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন   ●  কক্সবাজারে বনভূমি দখল উচ্ছেদে গিয়ে হামলা, রেঞ্জ কর্মকর্তাসহ ৫ বনকর্মী আহত   ●  স্নাতকের শেষবর্ষের ছাত্র ইমরানকে ‘ছাত্রলীগ ট্যাগ’ লাগিয়ে নাশকতা মামলায় চালান, পরীক্ষা চলাকালেই পাঠানো হলো কারাগারে   ●  প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন এম মনজুর আলম মেম্বার   ●  টেকনাফে সরকারী জমি ও ভবন দখল!   ●  প্রতিক্রিয়া : ৫ না ৮—রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসলে কতজন নিহত? সংখ্যার এই বিভ্রান্তির দায় কার?

কক্সবাজারে ধর্ষণ মামলায় পলাতক আসামির যাবজ্জীবন

কক্সবাজার প্রতিনিধি:

কক্সবাজারে শিশু ধর্ষণের মামলায় দিলীপ ঘূর্ণী (ধুপি) নামক পলাতক আসামির সশ্রম যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেছেন আদালত। সেই সঙ্গে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরো এক বছর কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এ
নারী শিশু মামলা নং ৮১/১৯ শুনানি শেষে বিচারক মো. মশিউর রহমান খান এ রায় প্রদান করেন।
আসামি দিলীপ ঘূর্ণী কুতুবদিয়ার উত্তর ধুরুং (ধূপী পাড়া) এলাকার গৌরীর ছেলে।
মামলায় মোট ৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যে দোষী প্রমাণ হওয়ায় এই রায় ঘোষণা দেন বিচারক। আসামি শুরু থেকে পলাতক। তার অনুপস্থিতিতে বিচার কার্য সম্পন্ন হয়েছে।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট সৈয়দ মো. রেজাউর রহমান (রেজা)। আসামি পলাতক থাকায় তার পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না বলে জানান সিনিয়র বেঞ্চ সহকারি মোহাম্মদ শামীম।
বাদির দায়েরকৃত এজাহারের বরাত দিয়ে তিনি জানান, ২০০৯ সালের ২২ এপ্রিল মেয়েকে ধর্ষণ অভিযোগে কুতুবদিয়া থানায় মামলা করেন দক্ষিণ সুর (জেলে পাড়া) বাসিন্দা ও স্বামী পরিত্যাক্তা কিরন জলদাস। মামলায়  মোট ৮ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।
তদন্ত প্রতিবেদন ও সাক্ষ্য-প্রমাণের পর দীর্ঘ ১৩ বছর তিন মাসের মাথায় ধর্ষণ মামলার রায় ঘোষণা করেন আদালত।
মামলার রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট সৈয়দ মো. রেজাউর রহমান (রেজা)।
তিনি বলেন, সাক্ষীদের সাক্ষ্যের ভিত্তিতে অভিযোগ সত্য প্রমাণিত। আদালত সঠিক বিচার করেছে। এতে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।