২৯ জুলাই, ২০২৬ | ১৪ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ১৪ সফর, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  কক্সবাজারে বনভূমি দখল উচ্ছেদে গিয়ে হামলা, রেঞ্জ কর্মকর্তাসহ ৫ বনকর্মী আহত   ●  স্নাতকের শেষবর্ষের ছাত্র ইমরানকে ‘ছাত্রলীগ ট্যাগ’ লাগিয়ে নাশকতা মামলায় চালান, পরীক্ষা চলাকালেই পাঠানো হলো কারাগারে   ●  প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন এম মনজুর আলম মেম্বার   ●  টেকনাফে সরকারী জমি ও ভবন দখল!   ●  প্রতিক্রিয়া : ৫ না ৮—রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসলে কতজন নিহত? সংখ্যার এই বিভ্রান্তির দায় কার?   ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার

কক্সবাজারে জন্মনিবন্ধন প্রক্রিয়া পূনরায় কেন শুরু নয়; হাইকোর্ট

কক্সবাজারের ৪টি পৌরসভা ও ৭১টি ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় জন্মনিবন্ধন প্রক্রিয়া পুনরায় শুরু করতে বিবাদীদের ব্যর্থতা কেন বেআইনি হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল দিয়েছেন হাইকোর্ট। ওই এলাকাগুলোয় জন্মনিবন্ধন কার্যক্রম পুনরায় চালু করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা–ও জানতে চাওয়া হয়েছে।

এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আজ মঙ্গলবার বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল দেন।

কক্সবাজারের বাসিন্দা ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী নাসরিন সিদ্দিকা লিনা ১৪ অক্টোবর ওই রিট করেন। রিটে জন্মনিবন্ধন প্রক্রিয়া পুনরায় চালুর নির্দেশনা চাওয়া হয়।

আদালতে রিটের পক্ষে আইনজীবী নাসরিন সিদ্দিকা লিনা নিজেই শুনানিতে অংশ নেন। রুলের বিষয়টি জানিয়ে প্রথম আলোকে তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের কক্সবাজারে আসার পর ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে ওই সব এলাকায় শিশুর জন্মনিবন্ধন বন্ধ আছে। ইতিমধ্যে ১১ লাখ ৪০ হাজার রোহিঙ্গার বায়োমেট্রিক নিবন্ধন শেষ হয়েছে, কক্সবাজারের বাসিন্দাদের ভোগান্তি এখনো শেষ হয়নি বলে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। এসব প্রতিবেদন যুক্ত করে রিটটি করা হয়। জন্মনিবন্ধন কার্যক্রম বন্ধ থাকা সংবিধানের ২৭, ২৮ ও ৩১ অনুচ্ছেদের পরিপন্থী উল্লেখ করে রিটটি করা হয়।

স্থানীয় সরকার সচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, নির্বাচন কমিশন, রেজিস্ট্রার জেনারেল (জন্ম ও মৃত্যু), চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার, চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসকসহ ৬ বিবাদীকে ৪ সপ্তাহের মধ্যে ওই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে বলে জানান আইনজীবী নাসরিন সিদ্দিকা।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।