২৬ মে, ২০২৬ | ১২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৮ জিলহজ, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি   ●  বিবেক’কে জাগ্রত রেখে দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করতে হবে- অতিরিক্ত আইজি শাহাবুদ্দিন খান   ●  চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন   ●  বেশি বাড়াবাড়ি করলে বিএনপি’র পদযাত্রা মরণযাত্রা হয়ে উঠবে-সাবেক সাংসদ বদি

কক্সবাজারে জন্মনিবন্ধন প্রক্রিয়া পূনরায় কেন শুরু নয়; হাইকোর্ট

কক্সবাজারের ৪টি পৌরসভা ও ৭১টি ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় জন্মনিবন্ধন প্রক্রিয়া পুনরায় শুরু করতে বিবাদীদের ব্যর্থতা কেন বেআইনি হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল দিয়েছেন হাইকোর্ট। ওই এলাকাগুলোয় জন্মনিবন্ধন কার্যক্রম পুনরায় চালু করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা–ও জানতে চাওয়া হয়েছে।

এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আজ মঙ্গলবার বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল দেন।

কক্সবাজারের বাসিন্দা ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী নাসরিন সিদ্দিকা লিনা ১৪ অক্টোবর ওই রিট করেন। রিটে জন্মনিবন্ধন প্রক্রিয়া পুনরায় চালুর নির্দেশনা চাওয়া হয়।

আদালতে রিটের পক্ষে আইনজীবী নাসরিন সিদ্দিকা লিনা নিজেই শুনানিতে অংশ নেন। রুলের বিষয়টি জানিয়ে প্রথম আলোকে তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের কক্সবাজারে আসার পর ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে ওই সব এলাকায় শিশুর জন্মনিবন্ধন বন্ধ আছে। ইতিমধ্যে ১১ লাখ ৪০ হাজার রোহিঙ্গার বায়োমেট্রিক নিবন্ধন শেষ হয়েছে, কক্সবাজারের বাসিন্দাদের ভোগান্তি এখনো শেষ হয়নি বলে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। এসব প্রতিবেদন যুক্ত করে রিটটি করা হয়। জন্মনিবন্ধন কার্যক্রম বন্ধ থাকা সংবিধানের ২৭, ২৮ ও ৩১ অনুচ্ছেদের পরিপন্থী উল্লেখ করে রিটটি করা হয়।

স্থানীয় সরকার সচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, নির্বাচন কমিশন, রেজিস্ট্রার জেনারেল (জন্ম ও মৃত্যু), চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার, চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসকসহ ৬ বিবাদীকে ৪ সপ্তাহের মধ্যে ওই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে বলে জানান আইনজীবী নাসরিন সিদ্দিকা।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।