২ জুন, ২০২৬ | ১৯ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ১৫ জিলহজ, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি   ●  বিবেক’কে জাগ্রত রেখে দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করতে হবে- অতিরিক্ত আইজি শাহাবুদ্দিন খান   ●  চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন   ●  বেশি বাড়াবাড়ি করলে বিএনপি’র পদযাত্রা মরণযাত্রা হয়ে উঠবে-সাবেক সাংসদ বদি

‘আওয়ামী লীগ ঝড়-তুফান আগুনে ভয় পায় না’

al.

  দুর্যোগ ও ত্রাণ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ ঝড়, তুফান, সন্ত্রাস, আগুন কোনো কিছুকেই ভয় পায় না। শেখ হাসিনা যে দিন স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করেছিলেন সেই ১৯৮১ সালের ১৭ মে’তেও তুফান হয়েছিল।’

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গণসংবর্ধনাস্থলের প্রস্তুতি পরিদর্শনে শুক্রবার এসে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মায়া এ সব কথা বলেন।

সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন, ওই দিন আবহাওয়া খারাপ থাকলে গণসংবর্ধনায় কোনো প্রভাব পড়বে কিনা? এরই উত্তরে মন্ত্রী এ সব কথা বলেন।

আগামী ২৯ মে শেখ হাসিনাকে গণসংবর্ধনা দেওয়া হবে। ভারতের সঙ্গে ছিটমহল বিনিয়ন চুক্তি বাস্তবায়নসহ সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন অবদানের জন্য এ সংবর্ধনা দেওয়া হবে।

এলক্ষ্যে শুক্রবার ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এম এ আজিজ, সাধারণ সম্পাদক ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, দলের সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম, আওয়ামী লীগের তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক এ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, নগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ প্রমুখ নেতা সোহরাওয়ার্দী উদ্যান পরিদর্শনে আসেন।

মায়া সাংবাদিকদের বলেন, ‘এ স্থানেই ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ভাষণ দিয়েছিলেন। আগামী ২৯ মে এখানেই শেখ হাসিনাকে গণসংবর্ধনা দেওয়া হবে।’

শেখ হাসিনাকে গণসংবর্ধনার জন্য ইতোমধ্যেই ২০২ জনের একটি নাগরিক কমিটি করা হয়েছে। যার চেয়ারম্যান করা হয়েছে সাহিত্যিক সৈয়দ শামসুল হককে।

এ ছাড়া করা হয়েছে একটি প্রস্তুতি কমিটি। যার সভাপতি হলেন জাতীয় সংসদ উপনেতা ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী। সদস্য সচিব করা হয়েছে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমকে।

 

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।