মূল খবরে যান

শিরোনাম
● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল

হোয়াইক্যংয়ে গাড়ি গতিরোধ করে সড়ক ডাকাতির চেষ্টাঃ অপরাধীরা সক্রিয় হয়ে উঠছে

শেয়ার করুন

ডাকাতি
টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের চিহ্নিত অপরাধীরা আরো সংঘবদ্ধ হয়ে নানা অপরাধে জড়িয়ে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে ব্যাহত করছে। এসব অপরাধীরা মাথাচড়া দেওয়ার পূর্বে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কঠোর হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে সচেতন মহল মনে করেন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়-৯ডিসেম্বর ভোররাত পৌনে ৫টারদিকে উপজেলার হোয়াইক্যং নয়াপাড়াস্থ বটতলীতে স্বশস্ত্র সড়ক ডাকাত দল টেকনাফগামী দূরপাল্লার শ্যামলী ও সৌদিয়া পরিবহন গতিরোধ ডাকাতির চেষ্টা চালায়। গাড়ি না থামানোয় শ্যামলী পরিবহনকে লক্ষ্য করে ১রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে। গুলির শব্দে লোকজন জড়ো হলে উক্ত ডাকাত দল মিনাবাজার হাসাইন্যার টেকে এসে আবারো অবস্থান নেয়। আরো একটি টেকনাফগামী শ্যামলী পরিবহন মিনাবাজার এসে হাসাইন্যার টেকে ডাকাতির খবর পেয়ে হোয়াইক্যং ফাঁড়িতে গিয়ে অবস্থান নেয়। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে এলে সড়কে ব্যারিকেড সৃষ্টিকারী ডাকাত দল পালিয়ে গেলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। উক্ত সড়ক ডাকাত দলের কবলে পড়া হ্নীলা পূর্ব সিকদারপাড়ার মৃত বদি আলমের পুত্র নুরুল হোছন ও আব্দুর রহিম প্রকাশ লাকুড়– মিস্ত্রীর পুত্র আব্দুল আমিন জাম্পু এই ঘটনার বর্ণনা দেন। হোয়াইক্যং হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির আইসি জামাল হোছন ডাকাতি চেষ্টার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন এবং পুলিশ সজাগ থাকায় এসব অপরাধীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। সম্প্রতি রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের সময় উক্ত এলাকার কিছু অপরাধী নারীদের শ্লীলতাহানি চেষ্টার পাশাপাশি অলংকার এবং মালামাল লুটের ঘটনায় স্থানীয় জনসাধারণের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি করে।

শেয়ার করুন