১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ৫ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ২৯ শাবান, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার   ●  অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্য বোরহান উদ্দিনের বিবৃতি   ●  দৈনিক নিরপেক্ষের স্টাফ রিপোর্টার হলেন তারেক আজিজ   ●  রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর অধিকার ও স্বপ্ন বাস্তবায়নে জাতীয় অ্যাডভোকেসি সেশন অনুষ্ঠিত    ●  উখিয়া অনলাইন প্রেসক্লাবে ৮ নতুন সদস্য   ●  প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পথে আসিফ ইমরানের অনুপ্রেরণার গল্প

স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধায়ক সুজন বড়ুয়ার পিতা শিক্ষক বিমল চন্দ্র বড়ুয়ার শ্মশানে চট্টগ্রাম স্বাস্থ্য বিভাগের শ্রদ্ধাঞ্জলি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের জেলা স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধায়ক সুজন বড়ুয়ার পিতা অবসরপ্রাপ্ত প্রবীণ প্রধান শিক্ষক বিমল চন্দ্র বড়ুয়ার শ্মশানে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেছেন চট্টগ্রাম স্বাস্থ্য বিভাগীয় কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। গতকাল ৬ ডিসেম্বর সোমবার বিকেলে চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আসিফ খান ও চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের (সিইউজে) সদস্য সাংবাদিক রনজিত কুমার শীলের নেতৃতে স্বাস্থ্য বিভাগে বিভিন্নস্তরে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলার মরিচ্যা বাজারস্থ প্রয়াত শিক্ষকের শ্মশানে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন।


উল্লেখ্য যে, গত ৩০ নভেম্বর মঙ্গলবার ভোর ৫টা ৩৯ মিনিটে চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি পরলোকগমন করেন। প্রয়াত প্রবীন শিক্ষক একজন স্বনামধন্য পল্লী চিকিৎসক মরিচ্যা বাজারের ‘নয়ন’ ফার্মেসীর স্বত্বাধিকারী ছিলেন। ১৯৫২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি তারিখে এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহন করেন প্রয়াত শিক্ষক বিমল চন্দ্র বড়ুয়া। ১৯৮২ সালে উখিয়ার মরিচ্যা পালং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অবৈতনিক শিক্ষক হিসেবে শিক্ষকতা শুরু করেন। পরে উত্তর বড়বিল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। ১৯৮৭ সালে গোরাইয়ারদ্বীপ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন এবং ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ২৭ বছর ঐ স্কুলে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।