মূল খবরে যান

শিরোনাম
● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল

সাক্কুকে শপথ পড়ালেন প্রধানমন্ত্রী

শেয়ার করুন


শপথ নিলেন সম্প্রতি নির্বাচিত কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের (কুসিক) মেয়র মনিরুল হক সাক্কু। আজ বৃহস্পতিবার সকালে গণভবনে তাকে শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

গত ৩০ মার্চ কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ৬৮ হাজার ৭৯৫ ভোট পেয়ে ফের মেয়র নির্বাচিত হন বিএনপির মোননীত প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু। ভোটে তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী আঞ্জুম সুলতানা সীমাকে পরাজিত করেন।

এর আগে ২০১২ সালের ৫ জানুয়ারি কুমিল্লা সিটির প্রথম ভোট হয়। সেখানেও এবারের সরকার দলীয় প্রার্থী সীমার বাবা ও আওয়ামী লীগের প্রার্থী অধ্যক্ষ আফজল খানকে পরাজিত করেন।

একই দিন শপথ নেন কুমিল্লা সিটির সংরক্ষিত ও ওয়ার্ড কাউন্সিলররা। তাদের শপথ পড়ান স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

গত মাসের ২০ এপ্রিল সাক্কুর মেয়র নির্বাচিত হওয়ার গেজেট প্রকাশ করে স্থানীয় সরকার বিভাগকে ব্যবস্থা নেয়ার চিঠি দেওয়া হয়। গেজেট প্রকাশের এক মাসের মধ্যে শপথ নেওয়ার বিধান রয়েছে। সেই অনুসারে আজ বৃহস্পতিবার শপথ নেন তিনি।

সাক্কুকে নিয়ে দেশের মোট ১১টি সিটি করপোরেশনে মেয়র হিসেবে বিএনপি’র সংখ্যা হবে ৬। সাক্কু ছাড়া অন্যরা হলেন গাজীপুরে এম এ মান্নান, রাজশাহীতে মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, খুলনায় মনিরুজ্জামান মনি, বরিশালে আহসান হাবিব কামাল এবং সিলেটে আরিফুল হক।

এই মেয়ররা ২০১৩ সালে নির্বাচিত হবার পর দায়িত্ব পালনে নানাভাবে ঝামেলায় পড়েছেন সন্ত্রাস ও নাশকতার মামলার কারণে। মামলায় অভিযোগপত্র দেয়ার পর একাধিক মেয়রকে একাধিকবার বরখাস্ত করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। উচ্চ আদালত একাধিকবার সেই আদেশ স্থগিতও করেছেন

শেয়ার করুন