২৪ এপ্রিল, ২০২৬ | ১১ বৈশাখ, ১৪৩৩ | ৬ জিলকদ, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) শাহিনুর ইসলামের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রতিবাদ   ●  ছাত্রদল নেতা হত্যা মামলার আসামি হলেন রামু থানার নবাগত ওসি আরমান   ●  ইউজিসি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের টিমের সঙ্গে সাউথ কোরিয়া গেলেন লায়ন মো. মুজিবুর রহমান   ●  কক্সবাজার সদর হাসপাতালে দায়িত্ব পেলেন উখিয়ার ডা. নুরুল আবছার শিমুল   ●  উখিয়ায় বসতভিটা দখলকে কেন্দ্র করে হামলা: নারী-পুরুষসহ আহত ৪, এলাকায় আতঙ্ক   ●  বার কাউন্সিলে উত্তীর্ণ সিবিআইইউ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা   ●  এআই বিষয়ে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে সেমিনার   ●  প্রতারণা-জালিয়াতিই যেন বেলায়তের নীতি!   ●  উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ   ●  পাতাবাড়ি স্কুল প্রাক্তনদের পুনর্মিলনী ২৮ মার্চ

সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) শাহিনুর ইসলামের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রতিবাদ

প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ

সম্প্রতি কিছু গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগসমূহ প্রচারিত হয়েছে, আমি সেগুলো সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করছি এবং দৃঢ়ভাবে প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং আমার ব্যক্তিগত ও পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ণ করার জন্য পরিকল্পিতভাবে ছড়ানো হয়েছে বলে আমি মনে করি।

আমি, শাহিনুর ইসলাম, বন বিভাগের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে সরকারি দায়িত্ব পালন করে আসছি। আমার কর্মজীবনে সর্বদা আইন ও বিধি-বিধান মেনে বন সম্পদ রক্ষা, অবৈধ দখল উচ্ছেদ, বনভূমি সংরক্ষণ এবং পরিবেশ রক্ষায় আন্তরিকভাবে কাজ করেছি। আমার দায়িত্ব পালনের কারণে কিছু অসাধু ও স্বার্থান্বেষী মহলের স্বার্থে আঘাত লাগায় তারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে।

সম্প্রতি যে ঘটনাগুলোর সঙ্গে আমাকে জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে—যেমন গাড়ি আটক, অর্থ লেনদেনের অভিযোগ কিংবা অবৈধভাবে গাড়ি ছাড়ার বিষয়—এসবের সাথে আমার কোনো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্পৃক্ততা নেই। এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও কল্পনাপ্রসূত। কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ, অফিসিয়াল নথি বা তদন্ত প্রতিবেদন ছাড়াই আমার নাম জড়িয়ে সংবাদ প্রচার করা হয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং আমার ব্যক্তিগত সম্মানহানিকর।

আমি স্পষ্টভাবে জানাতে চাই, আমি দায়িত্বে থাকাকালীন কোনো বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়নি। পূর্বে যেসব সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে, সেগুলোতে পুনরায় বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়ে থাকলে বিষয়টি বন বিভাগের আওতাভুক্ত নয়। একইভাবে, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা ঘরগুলো কোনো অবস্থাতেই উচ্ছেদ করা হয়নি। তবে নতুন জবরদখল প্রতিরোধ করা হয়েছে।

কুতুপালং এলাকায় তিনতলা ভবন নির্মাণের বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং এ বিষয়ে আদালতের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়ায় ভবন অপসারণের অনুমতি চাওয়া হয়েছে। এছাড়া রাজাপালংয়ের হাতিমুড়ায় কোনো ডাম্পার আটক করা হয়নি—টাকা নেওয়ার অভিযোগও সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মনগড়া।

আমি দায়িত্বে থাকাকালীন কোনো টমটম আটক করে রেঞ্জ অফিসে নিয়ে আসা হয়নি। বালুখালী এলাকায় পরিচালিত অভিযানের সময় আমি প্রশিক্ষণে ছিলাম; পরবর্তীতে এ বিষয়ে মামলা হয়েছে বলে জেনেছি।

পাহাড় কাটা, অবৈধ বালু উত্তোলন এবং গাছ চুরির সঙ্গে জড়িত যেসব ডাম্পার জব্দ করা হয়েছে, সেগুলোর বিরুদ্ধে বন আইনের আওতায় যথাযথ মামলা দায়ের করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
আমি আরও উল্লেখ করতে চাই, প্রচারিত সংবাদটি সম্পূর্ণ অপপ্রচার, মনগড়া ও ভিত্তিহীন।

এটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রচার করা হয়েছে, যা কেবল আমার ব্যক্তিগত সুনাম নয়, বরং একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তিকেও ক্ষুণ্ণ করে।

আমি সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের প্রতি অনুরোধ জানাই, কোনো প্রকার যাচাই-বাছাই ছাড়া একতরফা অভিযোগ প্রচার না করতে এবং দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসরণ করতে। অন্যথায় একজন সরকারি কর্মকর্তার সুনাম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যা কাম্য নয়।

পরিশেষে আমি আশাবাদী, একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটিত হবে এবং প্রকৃত বাস্তবতা জনগণের সামনে পরিষ্কার হবে। আমি আমার পেশাগত দায়িত্ব সততা ও নিষ্ঠার সাথে পালন করে যেতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

শাহিনুর ইসলাম
সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ)

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।