মূল খবরে যান

শিরোনাম
● রামুতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, যৌথ অভিযানে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ জব্দ● কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ● উখিয়ায় ৯ জীবিত বকসহ শিকারি আটক● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে

সর্দার শরিফের শেখানো নাম না বলায় নির্যাতন করেছে: সংবাদ সম্মেলনে দু’শ্রমিক

শেয়ার করুন

পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার কার্যালয়ে আটকে রেখে নির্যাতন চালিয়ে শেখানো নাম আদায়ের চেষ্টা চালানোর অভিযোগ উঠেছে সহকারী পরিচালক সরদার শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, তিনি চাঁদা দাবী করে ব্যর্থ হয়ে এ অনৈতিক কাজটি করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন গত ১২ জানুয়ারী শহরের লাইট হাউজ থেকে পাহাড় কাটার মিথ্যা অভিযোগে আটক হওয়া সোনা মিয়া ও ছব্বির নামে দুই শ্রমিক। কারাগার থেকে বেরিয়ে ১৮ জানুয়ারী সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে তারা এমন অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে মো. সোনা মিয়া বলেন,‘আমার বাড়ির পাশে পাহাড়ের পাদদেশ থেকে বাসার মেঝেতে দেয়ার জন্য সিমেন্টের বস্তায় করে দুই তিন বস্তা মাটির জন্য আমি ও প্রতিবেশি ছব্বির সেখানে যাই। ওই সময় তিন জন লোক গিয়ে আমাদের ধরে বাহারছড়ায় পরিবেশ অধিদপ্তরের কার্যালয়ে নিয়ে যান। সেখানে একটি অন্ধকার কক্ষে ২/৩ ঘন্টা আটকে রেখে আমাদের মারধর করে ভয়-ভীতি দেখানো হয়। পরে আমাদের দু’জনকে ছেড়ে দিতে ১০ হাজার টাকা দাবী করেন তাদেরই একজন। কিন্তু আমরা গরীব লোক টাকা নেই জানানোর পর তারা চলে যান। আধা ঘন্টা পর ফিরে এসে তারা দুই জন ব্যক্তির নাম উল্লেখ করে তারা পাহাড় কাটছে বলে স্বীকারোক্তি দিলে আমাদের ছেড়ে দেওয়ার আশ্বাস দেন।

মো. ছব্বির বলেন, ‘আমরা অসহায় সাধারণ মানুষ। টাকার বিনিময়ে দৈনিক কাজ করি। তবে জীবনে কখনো আইনের বিরুদ্ধে গিয়ে অনৈতিক কাজ করিনি। স্ত্রী-সন্তান নিয়ে কোন রকম জীবন-যাপন করছি। এরপরও নিজের ঘরের কাজ করতে গিয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সরদার শরিফুল ইাসলাম তার শেখানো কথা না বলায় পাহাড় কাটার মিথ্যা অভিযোগ এনে আইনের কাছে সোপর্দ করেছেন।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, অভিযানকালে পুলিশের কোন সদস্য না থাকলেও শরিফুল ইসলাম ম্যাজিষ্ট্রেটের কাছে পুলিশ ছিল বলে মিথ্যা তথ্য দিয়ে নিজের পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র প্রমান করেছেন। সাংবাদিক সম্মেলনে তারা এ ধরণের নির্যাতন ও ষড়যন্ত্রের বিচার চান প্রশাসনের কাছে।

শেয়ার করুন