মূল খবরে যান

শিরোনাম
● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল

সংস্কারের অভাবে মিঠাছড়ি-রাজারকুল সড়ক বেহাল, দুর্ভোগে ২০ গ্রামের মানুষ

শেয়ার করুন

শাহীন মাহমুদ রাসেলঃ

দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না করায় দক্ষিণ মিঠাছড়ি থেকে রাজারকুল পর্যন্ত ৮ কিলোমিটার সড়কের বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এতে এ অংশ দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে রামু উপজেলার মিঠাছড়ি ও রাজারকুল ইউনিয়নের ২০ হাজার মানুষ।

স্থানীয়রা জানান, সংস্কার করা না হলে রাস্তাটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়বে কয়েক দিনের মধ্যেই। অথচ এখনও এটি সংস্কার করার কোনো উদ্যোগ নেয়নি সংশ্নিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এতে প্রতিনিয়তই শিক্ষার্থী, যানবাহন চালক, যাত্রীসহ সাধারণ মানুষের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। বিশেষ করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মুমূর্ষু রোগীদের আনা-নেওয়া করতে ভোগান্তিতে পড়েছেন রোগীর স্বজনরা।

গতকাল শনিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কাঠিরমাথা থেকে সিকলঘাট ব্রীজ পর্যন্ত প্রায় ৮ কিলোমিটার রাস্তার মাঝে মাঝে পিচঢালাই উঠে গিয়ে ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এই রাস্তা দিয়ে মিঠাছড়ি, উমখালী, রাজারকুলসহ প্রায় ১৮-২০টি গ্রামের মানুষের প্রতিনিয়তই চলাচল করতে হয়। রাস্তাটি এলাকার মানুষের চলাচলের একমাত্র পথ হওয়ায় মহাদুর্ভোগের মধ্য দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে তাদের।

শুকনো মৌসুমে চলাচল করা গেলেও দুর্ভোগে পড়তে হয় বর্ষা মৌসুমে। দিনে কিংবা রাতে চলাচলের সময় রাস্তার ছোট-বড় গর্তে উল্টে পড়তে হয় রিকশা, টমটম, সিএনজি, ভ্যানগাড়ি, মোটরসাইকেলসহ ছোটখাটো যানবাহনের। তবু এই রাস্তা সংস্কার করার কোনো উদ্যোগ নেয়নি সংশ্নিষ্ট কর্তৃপক্ষ। দ্রুত এই রাস্তা সংস্কার করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

পশ্চিম উমখালী গ্রামের বাসিন্দা সাঈদ মেহেদী রোনাদ বলেন, আমার বাড়ী থেকে মাঠিরমাথা স্টেশনে যেতে আগে মাত্র ১০ মিনিট সময় লাগতো। কিন্তু এখন এই সড়কের অবস্থা এতটাই খারাপ যে এখন ৪০ মিনিটের উপরে লাগে। আট বছর আগে সড়কটি কার্পেটিং করা হলেও পরে কোন ধরনের মেরামত না করায় সড়কটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। এ ছাড়া প্রতি বছরের মাঝামাঝি সময়ে বন্যায় সড়কের অনেক স্থান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিন্তু মেরামত করা হচ্ছে না। ফলে মানুষ দুর্ভোগ পোহাচ্ছে।

এই সড়কে চলাচলকারী অটোরিকশার চালক জুনাইদ বলেন, রাতে এই রাস্তা দিয়ে গাড়ি চালানো রিস্ক (ঝুঁকি) বেশি। শীতের সময় সন্ধ্যার পরে কুয়াশা নামে। তখন গাড়ি গর্তে পড়ে যায়। গাড়ির ক্ষতি হয়। প্যাসেঞ্জারেরও (যাত্রী) কষ্ট হয়।

মিঠাছড়ির ইউপি চেয়ারম্যান ইউনুচ ভুট্টো বলেন, তিনি একাধিকবার উপজেলা পরিষদের মাসিক সমন্বয় সভায় সড়কের বেহাল অবস্থার বিষয়টি তুলে ধরে এলজিইডির কর্মকর্তাদের কাছে এটি সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন। টেন্ডার হয়েছে, শিগগিরই কাজ শুরু হবে জানান এই জনপ্রতিনিধি।

এলজিইডির রামু উপজেলা কার্যালয়ের প্রকৌশলী নুরুল ইসলাম করোনা আক্রান্ত হয়ে বর্তমানে আইসোলেশন সেন্টারে ভর্তি থাকার কারনে তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে ওই অফিসের আরেক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, এই সড়কটা সংস্কারের জন্য টেন্ডার হয়ে গেছে। বর্ষা শেষ হলেই দ্রুত কাজ শুরু হবে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

শেয়ার করুন