মূল খবরে যান

শিরোনাম
● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল● দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম● সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন● কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য● পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু● উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ● আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর● ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে কেমন হবে বাংলাদেশের একাদশ

শেয়ার করুন

মুশফিকুর রহীমের উইকেটকিপি ছাড়ার ফলে যে কপালপুড়ছে সাব্বির রহমানের, এ খবর জাগো নিউজের পাঠকরা জেনে গিয়েছেন বেশ আগে। একই সঙ্গে যে কপাল খুলে গেছে লিটন কুমার দাসের, এ খবরও জানা হয়ে গেছে পাঠকদের। গল টেস্টে বাংলাদেশের একাদশ কেমন হবে, তা নিয়ে নতুন করে আর কিছু বলার অপেক্ষা রাখে না। প্রশ্ন শুধু, সাকিব-মিরাজের সঙ্গে আলাদাভাবে স্পিনার হিসেবে তাইজুলকে নেয়া হবে নাকি আরেকজন পেসার বেশি খেলানো হবে!

বাংলাদেশের টেস্ট দলের নিয়মই হয়ে দাঁড়িয়েছে জেনুইন সাতজন ব্যাটসম্যান। সাকিব আল হাসান অলরাউন্ডার হওয়ার কারণে, একজন ব্যাটসম্যান বেশি খেলানোর সুবিধাটা বেশ ভালোই পাওয়া যাচ্ছে। মেহেদী হাসান মিরাজ যদি নিজের ব্যাটিং প্রতিভাটা দেখাতে পারতেন, তাহলে ব্যাটসম্যাদের সংখ্যা আটজন ধরে নেয়া যেতো; কিন্তু ব্যাটসম্যান মিরাজের ওপর আশা করা যায় না। স্পিন স্পেশালিস্ট হিসেবেই এখন দলে নিয়মিত হয়ে গেছেন তিনি।

স্পিন স্পেশালিস্ট হিসেবে তাইজুল ইসলাম খেলেছেন ভারতের মাটিতে হায়দরাবাদ টেস্টেও। দারুণ বোলিং করেছিলেন তিনি। সুতরাং, গল টেস্টে তাকে বাদ দিয়ে একজন পেসার বাড়ানো হবে নাকি তিনিই থাকবেন, এটাই এখন বড় প্রশ্ন। টিম ম্যানেজমেন্টও বলতে গেলে, সকালে উইকেট দেখাছাড়া সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না।

Babuউপমহাদেশের উইকেট সাধারণত, স্পিন বান্ধবই হয়। গলের উইকেটও ব্যাতিক্রম নয়। যদিও গলের উইকেটে প্রচুর রান ওঠার ইতিহাস রয়েছে। এখানেই প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি, প্রথম ৬০০ রানের ইনিংস খেলার ইতিহাস গড়েছিল বাংলাদেশ। স্পিনাররা ভালো সুবিধা পাওয়ার সম্ভাবনা থাকলে তাইজুলের খেলা নিশ্চিত। না হয়, বাড়তি পেসার জিসেবে কামরুল ইসলাম রাব্বি কিংবা শুভাশিষ রায়ের খেলার সম্ভাবনা রয়েছে। পেসার হিসেবে দুই জন, মোস্তাফিজ আর তাসকিনের খেলা প্রায় নিশ্চিত। প্রস্তুতি ম্যাচে ছন্দে ফেরার যে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন মোস্তাফিজ, তাতেই আশাবাদী হয়ে উঠছেন মুশফিকুর রহীম।

ওপেনিংয়ে ইমরুল না থাকায় তামিমের সঙ্গী মুমিনুল। এতে কোনো সন্দেহ নেই। বিকল্পও হাতে নেই। তিন নম্বরে মুমিনুল অটো চয়েজ। এরপর চারে উঠে আসার কথা রয়েছে মুশফিকুর রহীমের। আগে থেকেই চার নম্বরে ব্যাট করতেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। মুশফিক উঠে এলে পাঁচে নেমে যাবেন রিয়াদ। আবার পাঁচ নম্বরে সাকিবও নেমে যেতে পারেন। তাহলে ছয় নম্বরে চলে যাবেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। চার-পাঁচ-ছয়, এ তিনটি জায়গায় মুশফিক-রিয়াদ-সাকিবই ব্যাট করবেন।

মুশফিক যেহেতু কিপিং করবেন না, সেহেতু সাত নম্বরে লিটন কুমার দাস নিশ্চিত। এখানে বিকল্প আর কেউ নেই। লিটন কুমার দাসের কারণে সাত নম্বর থেকে, এমনকি দল থেকেই বিদায় নিতে হচ্ছে সাব্বির রহমানকে। অভিষেকের পর সাত নম্বর স্থানটিতে একটা ভারসাম্য তৈরি করতে পেরেছিলেন সাব্বির; কিন্তু টিম কম্বিনেশনের কারণে সাইডলাইনেই বসে থাকতে হচ্ছে তাকে।

বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ
তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, মুমিনুল হক, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মুশফিকুর রহীম, সাকিব আল হাসান, লিটন কুমার দাস, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম/শুভাশিষ রায়/কামরুল ইসলাম রাব্বি, মোস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ।

শেয়ার করুন