মূল খবরে যান

শিরোনাম
● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল

রোহিঙ্গাদের ধর্মান্তরের চেষ্টার প্রতিবাদে টেকনাফে মানব বন্ধন

শেয়ার করুন

Teknaf pic_kitabul mukaddas (6)
টেকনাফে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের বিভিন্ন প্রলোভনে ফেলে ধর্মান্তরিত করার চক্রান্তের প্রতিবাদে মানব বন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়েছে।
২৯ মার্চ দুপুরে সচেতন মুসলিম উম্মাহর ব্যানারে উপজেলা কমপ্লেক্স এলাকায় মানববন্ধন ও উপজেলা চেয়ারম্যানকে স্মারকলিপি প্রদান করে। উল্লেখ্য টেকনাফে ৩৩ মুসলিম রোহিঙ্গা নারী-পুরুষকে কৌশলে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টার অভিযোগ এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। টেকনাফ থেকে দালালদের মাধ্যমে এসব নারী-পুরুষকে ”ট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার কালিপুর ইউনিয়নের গুনাগরি এলাকায় দিশারী ক্যাম্প নামে একটি এনজিও সংস্থার ট্রেনিং ক্যাম্পে নিয়ে গিয়ে খৃষ্টান ধর্মীয় বিভিন্ন বিষয়ে আলোকপাতের পর কিতাবুল মোকাদ্দস নামে একটি গ্রন্থ ধরিয়ে দেওয়া হয়। গত ১৮ মার্চ তাদেরকে হাঁস-মুরগী পালনের প্রশিক্ষনের নামে টেকনাফের পল্লানপাড়া, কায়ুকখালীপাড়া থেকে ১৭ জন, রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে ৯ জন, বাহারছড়ার শামলাপুর এলাকার থেকে ৭ জন ৩৩ জনকে সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়। এদের মধ্যে টেকনাফ পুরান পল্লানপাড়ার বসবাসকারী ছৈয়দ আলম ও তার স্ত্রী মোমেনা (২৮), কালা মিয়ার ছেলে মোঃ হারুন প্রকাশ বাইল্লা (৩৫), ইয়াছিনের স্ত্রী  মরিয়ম খাতুন ময়ুরী (৫০), আবদুর রশিদের স্ত্রী সনজিদা (৪০), সালেহ আহমদের স্ত্রী বেলুজা (৬০), কাদের হোছনের স্ত্রী ফিরোজা (৫০), হাফেজ আহমদ (৫০), মোঃ আলম (১৫), বেগনী (৫০), নুর জাহান (৪৫)সহ ৩৩ জনকে নিয়ে ৩দিন তাদের সেখানে রেখে উক্ত ধর্মের আচার্য্য শিখানো হয়। পরে তারা টেকনাফে ফিরে আসার প্রায় ২ সপ্তাহ পর এক পর্যায়ে এঘটনা ফাঁস হয়ে গেলে সর্বত্র তোলপাড় সৃষ্টি হয়। এদিকে বাশঁখালীল দিশারী ক্যাম্পের ইনচার্জ রুবেল তালুকদারের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এ ঘটনার সাথে তাদের কোন সম্পর্ক নেই মার্টিন মন্নান মৃধা নামে এক ব্যক্তি “ওয়ে অব পিচ ট্রাস্ট” নামে একটি সংগঠনের নামে প্রশিক্ষনের জন্য তাদের ভেন্যুটি ভাড়া নিয়েছিল। আর ৮২ সেনপাড়া, মিরপুর-১০, ঢাকা তাদের কার্যালয়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মার্টিন মন্নান শাহীন নামের এক ব্যক্তির মাধ্যমে টেকনাফে লেদা রোহিঙ্গা বস্তিসহ বিভিন্ন এলাকায় বসবাসকারী রোহিঙ্গাদের টার্গেট করে ধর্মান্তরের এ প্রক্রিয়া শুরু করেন। এব্যাপারে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ মোজাহিদ উদ্দিন সংবাদকর্মীদের বলেন বিষয়টি জানার পর প্রাথমিকভাবে খোঁজ খবর নিয়ে এর সত্যতা পাওয়া গেছে। এব্যাপারে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জানানো হয়েছে।

শেয়ার করুন