১৮ জানুয়ারি, ২০২৬ | ৪ মাঘ, ১৪৩২ | ২৮ রজব, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  উখিয়ায় বেকারি মালিককে ছু’রি’কা’ঘা’ত, আটক ১   ●  খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় সিবিআইউ ছাত্রদলের দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে   ●  উখিয়া–নাইক্ষংছড়িতে আলোচিত মাদক ও জাল টাকা মামলার সংশ্লিষ্টদের প্রকাশ্য প্রচারণা নিয়ে প্রশ্ন   ●  আ.লীগের বদি’র ক্যাশিয়ার দশবছর পর ফিরলেন বিএনপিতে   ●  অসহায় শিশুদের জন্য শীতকালীন বস্ত্র উপহার দিল স্টুডেন্টস’ প্ল্যাটফর্ম   ●  মানবিক কাজে বিশেষ অবদান; হাসিঘর ফাউন্ডেশনকে সম্মাননা প্রদান   ●  দুই দিন ধরে নিখোঁজ প্রবাল নিউজের প্রতিবেদক জুয়েল হাসান, থানায় জিডি   ●  গ্রামে গ্রামে আনন্দের স্রোত   ●  সিবিআইউ’র আইন বিভাগের ১৭তম ব্যাচের বিদায় অনুষ্ঠান সম্পন্ন   ●  ক্ষোভ থেকে হত্যার ছক আঁকেন অপরাধী চক্র

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এনজিওতে স্থানীয়দের জন্য ‘চাকরির মেলা’

বিশেষ প্রতিবেদকঃ রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এনজিওতে স্থানীয়দের চাকরির দাবি সম্পূর্ণ যোক্তিক ও যুগোপযোগী। এ আন্দোলনের ফলে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের অনেক তথ্য সংগ্রহের সুযোগ হয়েছে যা এতোদিন কোনো পরিকল্পনায় ছিল না। তবে স্থানীয়দের আন্দোলন অবশ্যই শান্তিপূর্ণ ও নিয়মতান্ত্রিক হতে হবে বলে মত দিয়েছেন রোহিঙ্গা ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশন, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, এনজিও সংস্থা প্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।

বাংলাদেশ বেতার ও বিবিসি মিডিয়া অ্যাকশনের যৌথ উদ্যোগে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন কার্যালয়ে বুধবার বিকেলে এক সংলাপ অনুষ্ঠানে উপস্থিতরা এসব মতামত দেন।

একইসঙ্গে রোহিঙ্গাদের ঘিরে কক্সবাজার অঞ্চলে যেন কোনো ধরনের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি না হয় সে ব্যাপারে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে বলে এই সংলাপে উঠে আসে। সংলাপে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী আসার কারণে স্থানীয়দের কি কি সমস্যা হচ্ছে এবং সেসব নিয়ে উত্তরণের উপায় নিয়ে আলোচনা হয়।

সংলাপে অতিরিক্ত ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মিজানুর রহমান বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এনজিওতে স্থানীয়দের চাকরির প্রাধান্য দেয়ার বিষয়টি সরকারের সর্বোচ্চ মহলে আলোচনা চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় এনজিওগুলো উদ্যোগ গ্রহণ করছে, যাতে করে সঠিক প্রক্রিয়ায় স্থানীয়দের চাকরি দেয়া যায়।

সম্প্রতি চাকরি প্রত্যাশী স্থানীয়দের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

একই সঙ্গে প্রত্যেক এনজিওতে ক্যাটাগরি ভিত্তিতে তাদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জেলাভিত্তিক পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রদানেরও নির্দেশ দেন কর্মকর্তা।

সংলাপে এনজিওতে চাকরির দাবিতে আন্দোলনের নেতৃত্ব দেয়া ইমরুল কায়েস চৌধুরী বলেন, এনজিওদের সঙ্গে স্থানীয়দের কোনো বিরোধ নেই। কেউ কেউ এ নিয়ে বিভিন্ন প্রপাগান্ডা ছড়িয়ে ঘোলাপানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে। তাই এসব সমস্যা নিরসনে স্থানীয়দের যৌগ্যতার ভিত্তিতে চাকরি নিশ্চিত করার দাবি করেন।

অনুষ্ঠানে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আফসারুর আফসার বলেন, স্থানীয়দের আন্দোলন যৌক্তিক যুগ উপযোগী। এ আন্দোলনের ফলে অনেক অজানা বিষয় উঠে এসেছে।

এনজিওতে স্থানীয়দের চাকরির জন্য জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সকল এনজিও’র সমন্বয়ে জব ফেয়ার বা চাকরির মেলা করার কথা জানান তিনি।

তবে স্থানীয়দের আন্দোলনকে অবশ্যই অহিংস ও শান্তিপূর্ণ করার কথা বলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আসাররুল অফসার।

সংলাপে কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইকবাল হোসেন বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চাকরির দাবিতে স্থানীয়দের আন্দোলনের সময় ঘটে যাওয়া ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হবে। তদন্তে কোটবাজারের ঘটনা ভুল বোঝাবুঝি প্রমাণ হলে, অবশ্যই স্থানীয়দের সব সহযোগিতা দেয়া হবে।

সংলাপে এনজিও ফোরামের সভাপতি আবু মোরশরদ চৌধুরী, সিনিয়র আইনজীবী ও কলামিস্ট অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর, সাংকৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক নজিবুল ইসলাম, আমরা কক্সবাজারবাসী সংগঠনের পক্ষে কলিম উল্লাহ, নাজিম উদ্দিন, এইচএম নজরুল, অধিকার বাস্তবায়ন কমিটি উখিয়ার আহ্বায়ক শরিফ আজাদসহ কক্সবাজারের সুশীল সমাজের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।