২৮ জুলাই, ২০২৬ | ১৩ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ১৩ সফর, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  কক্সবাজারে বনভূমি দখল উচ্ছেদে গিয়ে হামলা, রেঞ্জ কর্মকর্তাসহ ৫ বনকর্মী আহত   ●  স্নাতকের শেষবর্ষের ছাত্র ইমরানকে ‘ছাত্রলীগ ট্যাগ’ লাগিয়ে নাশকতা মামলায় চালান, পরীক্ষা চলাকালেই পাঠানো হলো কারাগারে   ●  প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন এম মনজুর আলম মেম্বার   ●  টেকনাফে সরকারী জমি ও ভবন দখল!   ●  প্রতিক্রিয়া : ৫ না ৮—রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসলে কতজন নিহত? সংখ্যার এই বিভ্রান্তির দায় কার?   ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার

রোমাঞ্চকর জয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল পাকিস্তান

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে দ্বিতীয় ওয়ানডেতেও জয়ের ধারা অব্যাহত রেখেছে পাকিস্তান। বৃহস্পতিবার পাকিস্তান তিন রানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে। রোমাঞ্চকর এই জয়ের ফলে চার ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল তারা।

প্রথমে ব্যাট করে এদিন নির্ধারিত ২০ ওভারে পাকিস্তান তাদের সবকটি উইকেট হারিয়ে ১৩২ রান সংগ্রহ করে। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১২৯ রানের বেশি তুলতে পারেনি ক্যারিবীয়ানরা।

প্রথমে টসে জিতে পাকিস্তানকে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তবে শুরুটা ভালো হয়নি পাকিস্তানের। শুন্য রানেই সাজঘরে ফিরে যান কামরান আকমল। এরপর নিজের ব্যক্তিগত ১৪ রানের মাথায় আউট হয়ে যান আরেক ওপেনার আহমেদ শেহজাদও। তবে বাবর আজমের ২৭ এবং শোয়েব মালিকের ২৮ রানের সৌজন্যে শুরুর চাপ কাটিয়ে ওঠে পাকিস্তান। এরপর বাকী ব্যাটসম্যানদের মধ্যে শুধুমাত্র ওহাব রিয়াজ মূল্যবান ২৪ রান করেন। মূলত তারই কল্যাণে এক’শর কোটা পার করতে পারে পাকিস্তান। এছাড়া শাদাব খান ১৩ এবং অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদের ব্যাট থেকে আসে ১২ রান।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের সুনীল নারাইন এবং কার্লোস ব্রাথওয়েট উভয়ই পাকিস্তানের তিনটি করে উইকেট লাভ করেন। এছাড়া স্যামুয়েল বাদ্রি দুটি এবং কেসরিক উইলিয়ামস প্রতিপক্ষের একটি উইকেট দখল করেন।

১৩৩ রানের জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নামলে দলীয় ১০ রানেই প্রথম উইকেট হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ব্যক্তিগত তিন রান করে সাজঘরে ফিরে যান এভিন লুইজ। তবে আরেক উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান চাদউইক ওয়াল্টনের ২১ এবং মারলন স্যামুয়েলসের ৪৪ রানের দুর্দান্ত ইনিংসের উপর ভর করে জয়ের দিকেই এগুতে থাকে স্বাগতিকরা।

কিন্তু ওয়েস্ট ইন্ডিজকে একাই গুড়িয়ে দেন পাকিস্তানের তরুণ বোলার শাদাব খান। চার ওভার বল করে মাত্র ১৪ রান দিয়ে চারটি উইকেট দখল করে নেন তিনি। তবে শেষের দিকে জেসন হোল্ডারের অপরাজিত ২৬ রান জয়ের কাছাকাছি নিয়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। কিন্তু শেষ ওভারে হাসান আলীর দুর্দান্ত বোলিংয়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে আট উইকেটের বিনিময়ে ১২৯ রানের বেশি করতে পারেনি ক্যারিবীয়ানরা।

ম্যাচ সেরার পুরস্কার জিতেন শাদাব খান। আগামী পহেলা এবং ২রা এপ্রিল একই স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে সিরিজের তৃতীয় এবং শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।