মূল খবরে যান

শিরোনাম
● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল

রামুতে ১৫টি অবৈধ স্থাপনার মধ্যে ৭টি উচ্ছেদ

শেয়ার করুন

ossed

রামু উপজেলার হিমছড়ি পর্যটন স্পট এলাকায় অবৈধ ভাবে গড়ে উঠা ১৫টি স্থাপনার মধ্যে ৭টি স্থাপন উচ্ছেদ করেছে বনবিভাগ। মঙ্গলবার (০৭ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।
উচ্ছেদ অভিযানে নেতৃত্ব দেন হিমছড়ি বনবিভাগের বন কর্মকর্তা ফখরুদ্দিন মজুমদার।
উচ্ছেদ হওয়া অবৈধ স্থাপনা গুলো গড়ে তোলেন ছাবের আহাম্মদ, মো. ছিদ্দিক, হাবিব উল্লাহ, মোহাম্মদুল হক, মো. রশিদ ও জাহেদ।
হিমছড়ি বনবিভাগের বন কর্মকর্তা ফখরুদ্দিন মজুমদার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ৭টি স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। অবশিষ্ট ৮ স্থাপনার মালিককে একদিনের সময় দেওয়া হয়েছে। একদিনের মধ্যে নিজেরা স্থাপনা সরিয়ে না নিলে উচ্ছেদ করা হবে বলে জিনি জানান।
স্থানীয়রা জানান, ১৫টি অবৈধ স্থাপনা গড়ে তোলা হলেও স্বেচ্ছাচারিতা ও স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে মাত্র ৭টি স্থাপনা উচ্ছেদ করে বন বিভাগ। কিন্তু অবশিষ্ট ৮টি স্থাপনা প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ছত্রছায়ায় গড়ে উঠায় তাদেরকে উচ্ছেদ করতে সাহস পায়নি সংশ্লিষ্ট বনবিভাগ। এ নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

শেয়ার করুন