৪ মার্চ, ২০২৬ | ১৯ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ১৪ রমজান, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন   ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার   ●  অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্য বোরহান উদ্দিনের বিবৃতি

রামুতে ১৫টি অবৈধ স্থাপনার মধ্যে ৭টি উচ্ছেদ

ossed

রামু উপজেলার হিমছড়ি পর্যটন স্পট এলাকায় অবৈধ ভাবে গড়ে উঠা ১৫টি স্থাপনার মধ্যে ৭টি স্থাপন উচ্ছেদ করেছে বনবিভাগ। মঙ্গলবার (০৭ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।
উচ্ছেদ অভিযানে নেতৃত্ব দেন হিমছড়ি বনবিভাগের বন কর্মকর্তা ফখরুদ্দিন মজুমদার।
উচ্ছেদ হওয়া অবৈধ স্থাপনা গুলো গড়ে তোলেন ছাবের আহাম্মদ, মো. ছিদ্দিক, হাবিব উল্লাহ, মোহাম্মদুল হক, মো. রশিদ ও জাহেদ।
হিমছড়ি বনবিভাগের বন কর্মকর্তা ফখরুদ্দিন মজুমদার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ৭টি স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। অবশিষ্ট ৮ স্থাপনার মালিককে একদিনের সময় দেওয়া হয়েছে। একদিনের মধ্যে নিজেরা স্থাপনা সরিয়ে না নিলে উচ্ছেদ করা হবে বলে জিনি জানান।
স্থানীয়রা জানান, ১৫টি অবৈধ স্থাপনা গড়ে তোলা হলেও স্বেচ্ছাচারিতা ও স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে মাত্র ৭টি স্থাপনা উচ্ছেদ করে বন বিভাগ। কিন্তু অবশিষ্ট ৮টি স্থাপনা প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ছত্রছায়ায় গড়ে উঠায় তাদেরকে উচ্ছেদ করতে সাহস পায়নি সংশ্লিষ্ট বনবিভাগ। এ নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।