মূল খবরে যান

শিরোনাম
● রামুতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, যৌথ অভিযানে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ জব্দ● কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ● উখিয়ায় ৯ জীবিত বকসহ শিকারি আটক● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে

রামুতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, যৌথ অভিযানে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ জব্দ

শেয়ার করুন


নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের রাজারকুল রেঞ্জের দারিয়ারদীঘি বিটের কালুর দোকান সংলগ্ন ধলিয়ারছড়ি খালের পাশে পাহাড়ের বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে বনবিভাগ। ওই সময় বালু উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত ১টি ড্রেজার মেশিন ও ৩০ ফুট পাইপ জব্দ করা হয়েছে। বুধবার সকালে রাজারকুল রেঞ্জ, উখিয়া রেঞ্জ, পানেরছড়া রেঞ্জ এবং স্পেশাল ফোর্স, কক্সবাজারের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী এই অভিযানে অংশগ্রহণ নেন। রাজারকুল রেঞ্জ কর্মকর্তা সুলতান মাহমুদ হাওলাদার
অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

বন বিভাগ ও স্থানীয়দের সূত্র মতে, দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের রাজারকুল রেঞ্জের দারিয়ারদীঘি বিটের কালুর দোকান সংলগ্ন ধলিয়ারছড়ি খালের পাশে পাহাড়ের বালু উত্তোলন করে আসছিল স্থানীয় বিএনপি নেতা নুরুল হকের নেতৃত্বে একটি বিশাল চক্র। বুধবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বনবিভাগ অভিযান চালায়। এসময় ড্রেজার মেশিন ও পাইপ জব্দ করা হয়।

অভিযোগে প্রকাশ, কক্সবাজার জেলা যুবদলের ফরিদ নামের এক নেতা ওই বালু মহালটি ইজারা নেন। পরে স্থানীয় বিএনপির নেতা নুরুল হকের নেতৃত্বে একটি চক্রকে উপ-ভাড়া দেয় বালুর মহালটি। ওই চক্রটি নিয়ম লঙ্ঘন করে বালু উত্তোলন করে আসছে দীর্ঘ দিন ধরে।

কয়েকদফা অভিযুক্ত বিএনপির নেতা নুরুল হকের সাথে যোগাযোগ করে তাকে না পাওয়ায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

রাজারকুল রেঞ্জ কর্মকর্তা সুলতান মাহমুদ হাওলাদার
বলেন, বন ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় বন বিভাগের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। বালু খেকো চক্রের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে দাবি করেন এই কর্মকর্তা।

শেয়ার করুন