মূল খবরে যান

শিরোনাম
● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল● দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম● সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন● কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য● পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু● উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ● আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর

রবি-এয়ারটেল অন-নেট কলে বিটিআরসির নিষেধাজ্ঞা

শেয়ার করুন

সদ্য একীভূত হওয়া রবি আজিয়াটা লিমিটেড এবং এয়ারটেল বাংলাদেশ লিমিটেডের মধ্যে অন-নেট কল করতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বিটিআরসি। বিটিআরসি থেকে রবির কাছে এক পত্রে জানানো হয়েছে, মার্জার লাইসেন্স না পাওয়া পর্যন্ত দুই অপারেটর অন-নেট কল সেবা দিতে পারবে না। এ জন্য একীভূতকরণ ফি হিসাবে বকেয়া ১০৮ কোটি ৮৩ লাখ টাকা পরিশোধ এবং এয়ারটেলের ৫ মেগাহার্জ স্পেকট্রাম ফেরত দেওয়ার শর্তে এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে।

২০১৬ সালের ২৬ অক্টোবর মোট ২১টি শর্ত দিয়ে রবি এবং এয়ারটেলের একীভূতকরণে অনুমোদনের চিঠি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এসব শর্ত পালন না করায় ১৫ মার্চ বিটিআরসির পরিচালক রোখসানা মেহজাবিনের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে রবিকে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে রবি-এয়ারটেলের একীভূত কেন বাতিল করা হবে না তা ৩০ দিনের মধ্যে জানাতে বলা হয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, রবি তাদের মার্জার ফি হিসেবে ৪২৭ কোটি ৩৫ লাখ টাকা (ভ্যাটসহ) দেওয়ার কথা কিন্তু সেখানে তারা মোট দিয়েছে ৩১৮ কোটি টাকা।

এদিকে বিটিআরসির কাছে এয়ারটেলের কিছু প্যাকেজ অনুমোদন করানোর জন্য আবেদন করা হলেও সেগুলো অনুমোদন দেওয়া হয়নি। বিটিআরসির সিস্টেম অ্যান্ড সার্ভিসেস বিভাগ বলছে, কমিশনের আইন বিভাগ এ অনুমোদন না দিতে পরামর্শ দিয়েছে। এ ছাড়া কমিশনের ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড অপারেশন বিভাগও বিদেশ থেকে এয়ারটেলের যন্ত্রপাতি আমদানির জন্য এনওসি দিতে সম্মত হয়নি।

এ ব্যাপারে বিটিআরসির চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ বলছেন, কমিশনের দৃষ্টিতে এখনও একীভূত শেষ হয়নি। যদি তারা তাদের সকল শর্ত পূরণ করে তাহলে রবিকে মার্জার লাইসেন্স দেওয়ার ব্যাপারে কোন বাধা থাকবে না। উল্লেখ্য, একই অপারেটরের মধ্যে গ্রাহক যে কথা বলে তাকে বলা হয় ‘অন-নেট’ এবং অন্য অপারেটরের সঙ্গে গ্রাহক যে কথা বলে সেটাকে ‘অফ-নেট’ কল বলা হয়।

শেয়ার করুন