মূল খবরে যান

শিরোনাম
● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল

ম্যাজিস্ট্রেট দেখে দোকান খোলা রেখে পালিয়ে গেল দোকানদারেরা

শেয়ার করুন

ইমাম খাইর, কক্সবাজার:

কক্সবাজার জেলায় করোনা সংক্রমণ দিন দিন বাড়ছে। তাই জনগণকে রক্ষায় ১৮ মে থেকো দোকানপাট, শপিং মল বন্ধ রাখতে নির্দেশনা জারি করেছে জেলা প্রশাসন।

দোকান মালিক সমিতিসহ ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো প্রশাসনের সাথে একাত্মতা পোষণ করেছে।

এরপরও প্রশাসনের আদেশ অমান্য করে কক্সবাজার শহরের অধিকাংশ দোকানদারেরা ভোর সকাল থেকে দোকান খুলে ব্যবসা-বাণিজ্য শুরু করে।

এসব দোকানকে কেন্দ্র করে বাড়তে থাকে ক্রেতা সমাগম।

তবে, ক্রেতাদের সিংহভাগই নিম্নবিত্ত পরিবারের নারী ও শিশু।

এদিকে, প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্যকারী দোকানদারের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসন।

মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুরে সহকারি কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জিন্নাত শহীদ পিংকি ও সৈয়দ মুরাদ ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে দুইটি দোকানকে তাৎক্ষণিক জরিমানা করা হয়েছে।

শহরের এন্ডারসন রোড সংলগ্ন কবির হকার মার্কেটের মিমো ফ্যাশন ও সাজিদা ফ্যাশনের প্রত্যেককে দেড় হাজার টাকা করে মোট ৩০০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

তবে, জেলা প্রশাসনের মোবাইল কোর্ট দেখে অধিকাংশ দোকানদারেরা তাদের দোকান খোলা রেখে পালিয়ে যায়।

যে কারণে অন্যান্য দোকানদারদের জরিমানা করা সম্ভব হয়নি।

অবশ্যই জেলা প্রশাসনের মোবাইল কোর্ট টিম চলে যাওয়ার পরে দোকানদাররা গিয়ে দ্রুত দোকান ও মার্কেট বন্ধ করতে দেখা গেছে।

আবার অনেকে পুনরায় দোকান খুলে বসেছে। শুরু করেছে ব্যবসা।

এ যেন প্রশাসনের সাথে অসাধু ব্যবসায়ীদের ইঁদুর-বিড়াল খেলা।

শেয়ার করুন