মূল খবরে যান

শিরোনাম
● সাংবাদিক এ এইচ সেলিম উল্লাহর মা আর নেই● রামুতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, যৌথ অভিযানে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ জব্দ● কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ● উখিয়ায় ৯ জীবিত বকসহ শিকারি আটক● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’

মুক্তি পেলো অপহৃত ২৯ জেলে

শেয়ার করুন

 Coxs-arms-News_thereport24

 বাংলাদেশের কক্সবাজারের সোনাদিয়া দ্বীপের কাছে একটি মাছধরা ট্রলারে হামলা করে ২৯জন জেলেকে অপহরণের ১২ ঘণ্টা পর তাদের ছেড়ে দিয়েছে দস্যুরা।

ডাকাতির শিকার আরো একটি ট্রলারের ২৬ জন জেলেকেও এদের সঙ্গে মুক্তি দেয়া হয়েছে। তাদের মুক্তির জন্য কোনো মুক্তিপণ দেওয়া হয়েছে কীনা সে বিষয়ে কিছু জানা যায় নি। কক্সবাজারের সোনাদিয়া দ্বীপের কাছে একটি মাছধরা ট্রলারে হামলা করে বৃহস্পতিবার ভোররাত চারটার দিকে ২৯ জন জেলেকে দস্যুরা অপহরণ করে বলে ওই ট্রলার মালিক জানান।

ট্রলারের মালিক জয়নাল আবেদিন জানিয়েছেন রোববার সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া তার তিনটি ট্রলার যখন ফিরছিল তখন একটির ওপর হামলা চালিয়ে দস্যুরা ২৯জনকে অপহরণ করে নিয়ে যায়।

জয়নাল আবেদিন জানান, গভীর সমুদ্র থেকে বন্দরে ফেরার সময় আক্রান্ত ট্রলারে ৩১ জন জেলে ছিল। এদের মধ্যে তিনজন সমুদ্রে ঝাঁপিয়ে পড়ে, যদিও এদের একজনকে দস্যুরা আবার তুলে নিয়ে যায়। কক্সবাজার এলাকায় প্রায়ই  এর আগে ২৬ জন জেলেসহ আরেকজন মালিকের একটি ট্রলারও দস্যুরা অপহরণ করেছিল। আবেদিনের ট্রলারের ২৯জন জেলের সঙ্গে তাদেরও মুক্তি দেওয়া হয়েছে বলে কোস্টগার্ড বাহিনী জানিয়েছে। সমুদ্রের এই এলাকায় প্রায়ই ডাকাতির অভিযোগ ওঠে। গত মার্চেই কক্সবাজার এলাকায় অর্ধ শতাধিক ট্রলারে ডাকাতি হয়েছে বলে বোট মালিক সমিতি জানিয়েছে। ২০১৩ সালের এপ্রিলে একটি ডাকাতির পর অন্তত কুড়িজন জেলেকে হত্যা করেছিল ডাকাতরা।

শেয়ার করুন