মূল খবরে যান

শিরোনাম
● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল

মিয়ানমার যেতে পারছেন না টেকনাফের ব্যবসায়ীরা

শেয়ার করুন

কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দরের ব্যবসায়ীরা তিন মাস ধরে মিয়ানমার যেতে পারছেন না। এ কারণে বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারে পণ্য রপ্তানি প্রায় বন্ধ রয়েছে।

টেকনাফ স্থলবন্দরের অভিবাসন কেন্দ্রের (পুলিশ) উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ জাকির হোসেন বলেন, গত ৯ অক্টোবর মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের তিনটি সীমান্ত ছাউনিতে সন্ত্রাসী হামলার পর থেকে সে দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী তিন দিনের বর্ডার পাস (সীমান্ত অতিক্রমের অনুমতি) অঘোষিতভাবে বন্ধ করে দিয়েছে।

অভিবাসন কেন্দ্র সূত্র জানায়, গত বছর স্থলবন্দরের অভিবাসন কেন্দ্র কেবল ভ্রমণ কর হিসেবেই ৪৭ লাখ টাকার রাজস্ব আদায় করেছিল। টেকনাফ স্থলবন্দর থেকে মাসে গড়ে প্রায় ৪ লাখ টাকার ভ্রমণ কর পেত সরকার। প্রতি মাসে গড়ে ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার ১০০ লোক মিয়ানমারে যাতায়াত করত। কিন্তু তিন মাস ধরে মিয়ানমার সীমান্ত পাস বন্ধ করে দেওয়ায় বাংলাদেশ সরকার প্রায় ১২ লাখ টাকার রাজস্ব হারিয়েছে।
স্থলবন্দরের কাস্টমস সুপার আবদুল মান্নান বলেন, প্রতি সপ্তাহে মাছ ও কাঠভর্তি দু-তিনটি কার্গো মিয়ানমারের আকিয়াব বন্দর থেকে টেকনাফ আসছে। প্রতি মাসে আমদানি পণ্যের বিপরীতে সরকারের রাজস্ব আয় গড়ে সাত কোটি টাকা। কিন্তু বাংলাদেশ থেকে কিছু পণ্য রপ্তানি হলেও মিয়ানমারের পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে রাজস্ব আয় আরও কমে যেতে পারে। এতে বাণিজ্য ঘাটতি বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

টেকনাফ স্থলবন্দর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এহতেশামুল হক বাহাদুর বলেন, ব্যবসায়ীরা মিয়ানমারে যেতে না পারার কারণে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানি অনেক কমে গেছে। কিন্তু মিয়ানমার থেকে পণ্য আমদানি স্বাভাবিক হলেও আগের চেয়ে ৭০ ভাগ পণ্য রপ্তানি কমে যাওয়া স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বিপাকে পড়েছেন।

এ বিষয়ে টেকনাফ ২ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আবুজার আল জাহিদ বলেন, মিয়ানমার-টেকনাফের মধ্যে বিজিবির তত্ত্বাধানে এক দিনের ট্রানজিট (উভয় দেশের নিকট আত্মীয়স্বজনের কাছে আসা-যাওয়া) চালু ছিল। এটিও তিন মাস ধরে বন্ধ রয়েছে। মিয়ানমারে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই ট্রানজিট চালু হওয়ার সম্ভাবনা নেই। প্রথম আলো

শেয়ার করুন