৪ মার্চ, ২০২৬ | ১৯ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ১৪ রমজান, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন   ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার   ●  অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্য বোরহান উদ্দিনের বিবৃতি

মানহানি মামলায় কেজরিওয়ালের বিচার শুরু

দিল্লির পৌরসভা ভোটের আগে আদালতে ধাক্কা খেলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। ভারতের কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলির দায়ের করা মানহানির মামলায় শনিবার কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর নির্দেশ দিয়েছেন দিল্লির হাইকোর্ট। আগামী ২০ মে থেকে শুনানি শুরু হবে। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

নিজের সচিবের দফতরে সিবিআই হানার পর জেটলির বিরুদ্ধে দিল্লি ক্রিকেট সংস্থা (ডিডিসিএ)-তে দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছিলেন কেজরিওয়াল। তাঁর দাবি ছিল, ডিডিসিএ-র সভাপতি থাকার সময়ে জেটলি যে দুর্নীতি করেছিলেন, সেই সংক্রান্ত রিপোর্টের খোঁজেই হানা দিয়েছিল সিবিআই। তার পরেই কেজরিওয়াল ও অন্য আপ-নেতাদের বিরুদ্ধে দু’টি মানহানির মামলা করেন জেটলি। একটি ১০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দাবি করে মামলা, অন্যটি ফৌজদারি মামলা।
জেটলির অভিযোগ ছিল, রাজনৈতিক ফায়দা নিতে কেজরিওয়াল তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগ তুলেছেন।

আগামী মাসেই দিল্লির তিনটি পৌরসভায় নির্বাচন। তিনটিই এখন বিজেপির দখলে। উত্তরপ্রদেশের পরে দিল্লির পৌরভোটেও জয় ধরে রাখতে মরিয়া অমিত শাহ শনিবার মাঠে নেমে পড়েছেন। রামলীলা ময়দানে বিজেপির নেতা-কর্মীদের সম্মেলন করেছেন তিনি। সেখানে অভিযোগ তুলেছেন, গত কয়েক বছরে কেজরিওয়ালের সরকারের মতো দুর্নীতি কেউ করেনি।

প্রতিপক্ষের তোপ তো থাকবেই। কিন্তু তিন পৌরসভার দখল নিতে ঝাঁপানোর আগে মানহানির মামলার বিচার কেজরিওয়ালের বাড়তি মাথাব্যথা হয়ে রইল বলেই মনে করছেন রাজনীতির বিশেষজ্ঞরা।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।