মূল খবরে যান

শিরোনাম
● রামুতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, যৌথ অভিযানে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ জব্দ● কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ● উখিয়ায় ৯ জীবিত বকসহ শিকারি আটক● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে

মাতারবাড়ী তাপবিদ্যুৎ প্রকল্প পরিদর্শনে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির প্রতিনিধিদল

শেয়ার করুন

কক্সবাজারের মহেশখালীর মাতারবাড়ীতে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ প্রকল্প পরিদর্শন করেছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির প্রতিনিধিদল। গতকাল বুধবার দুপুরে স্থায়ী কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ তাজুল ইসলামের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদল প্রকল্প এলাকা ঘুরে দেখে।

প্রতিনিধিদলে ছিলেন সাংসদ এম এ লতিফ, আবু জাহির ও সংরক্ষিত মহিলা আসনের সাংসদ বেগম নাসিমা ফেরদৌসী। প্রকল্পের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পেন্টা ওশেন কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেডের সাইট অফিসের প্রতিনিধিদলের সামনে প্রজেক্টরের মাধ্যমে প্রকল্পের প্রস্তুতিমূলক কাজের অগ্রগতি তুলে ধরেন প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক সৈয়দ আশিকুর রহমান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাংসদ আশেক উল্লাহ, সাইমুম সরওয়ার, প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কাসেম, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আলী হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সিরাজুল মোস্তফা, কক্সবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মহাব্যবস্থাপক নুর মোহাম্মদ আজম, মহেশখালী থানার ওসি বাবুল চন্দ্র বণিক, কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানির উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মাহমুদ আলম প্রমুখ।

জানতে চাইলে পেন্টা ওশেন কনস্ট্রাকশন কোম্পানির ব্যবস্থাপক (স্বাস্থ্য, সুরক্ষা ও পরিবেশ) সৈয়দ আশিকুর রহমান বলেন, প্রকল্পের প্রস্তুতিমূলক কাজের প্রায় অর্ধেক (৪৭ শতাংশ) ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। এর মধ্যে চ্যানেলে এক কিলোমিটার ড্রেজিং, বেড়িবাঁধ ও জেটি নির্মাণের কাজ শতভাগ শেষ করা হয়েছে। এখন মাটি ভরাট ও স্থায়ী অফিস ভবন নির্মাণের কাজ চলছে।

শেয়ার করুন