১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ৪ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ২৮ শাবান, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার   ●  অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্য বোরহান উদ্দিনের বিবৃতি   ●  দৈনিক নিরপেক্ষের স্টাফ রিপোর্টার হলেন তারেক আজিজ   ●  রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর অধিকার ও স্বপ্ন বাস্তবায়নে জাতীয় অ্যাডভোকেসি সেশন অনুষ্ঠিত    ●  উখিয়া অনলাইন প্রেসক্লাবে ৮ নতুন সদস্য   ●  প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পথে আসিফ ইমরানের অনুপ্রেরণার গল্প

ভেজাল আচারের কারখানায় অভিযান


বিশেষ প্রতিবেদক:
অবশেষে নোংরা পরিবেশে ভেজাল আচার কারখানা বন্ধ করতে মাঠে নেমেছে কক্সবাজারের প্রশাসন। পর্যটকদের সাথে প্রতারণা মূলক বার্মিজ আচারের নামে ভেজাল আচার কারখানায় নিয়মিত অভিযানও চালানো হবে। বৃহস্পতিবার দুপুরে কক্সবাজার শহরের ১নং ওয়ার্ড ফদনার ডেইল এলাকায় একটি ভেজাল আচারের কারখানায় অভিযান চালান জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পর্যটন সেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাইফুল ইসলাম জয়। অভিযানে আচারে বার্মিজ ভাষায় লেখা ভুয়া প্যাকেট ও ষ্টিকার দিয়ে প্যাকেট করে বাজারজাতের জন্য প্রস্তুুত কারক বিপুল পরিমান ভেজাল আচার জব্দ করেন। পরে এসব পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম জয় বলেন- এমন নোংরা পরিবেশে ভেজাল আচার তৈরি হয় আমার কোন দিন ধারণাও ছিল না। খুবই খারাপ অবস্থায় বার্মিজ আচারের নামে এসব ভেজাল আচার তৈরি হচ্ছে। আর পর্যটকরা এসব খাচ্ছেন। টয়লেটের পাশেই ঝুঁপড়ি ঘরেই পঁচা বরই দিয়েই আচার তৈরি হচ্ছে। যা দেখলে বমি চলে আসে।

তিনি আরো বলেন- ভেজাল আচারের কারখানায় অভিযানের সময় কাউকে পাওয়া যায়নি। হয়ত টের পেয়ে সবাই পালিয়ে যায়। কক্সবাজার শহরে আরো বেশি কয়েকটি ভেজাল আচারের কারখানা রয়েছে। সব ভেজাল আচারের কারখানা ধ্বংস করা হবে।

এছাড়া গত শনিবার কলাতলী এলাকায় নুরুল আলমের নামে একব্যক্তির ভেজাল আচারের কারখানায় অভিযান চালান সদর সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজিম উদ্দিন। এসময় ২০ বস্তা পঁচা বরই ও ১৫ বস্তা মতো বার্মিজ ভাষায় লেখা ভুয়া প্যাকেট ও ষ্টিকার দিয়ে তৈরি করা আচারের প্যাকেট জব্দ করেন। পরে এসব পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।