মূল খবরে যান

শিরোনাম
● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল● দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম

ভিসি চেয়ে এবার প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি দিলেন সিবিআইইউ‘র শিক্ষার্থীরা

শেয়ার করুন

কক্সবাজার প্রতিনিধি:

রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগকৃত উপচার্য ও কোষাধ্যক্ষ, স্থায়ী ক্যাম্পাস সহ ২১ দফা দাবী আদায়ের চলমান কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্মারকলিপি দিলেন কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ( সিবিআইইউ) শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার বেলা ১ টায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদকে মাধ্যম করে ওই স্মারকলিপি প্রদান করেছেন সিবিআইইউ’র সাধারন শিক্ষার্থীরা।

এর আগে বেলা ১২ টায় একইদাবী আদায়ের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের সামনে মানবন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।

 মানববন্ধন থেকে শিক্ষার্থীরা চলতি মাসে অভিভাবক সমাবেশ, ইউনিভার্সিটি গেইট অবরুদ্ধ করাসহ নানা কর্মসূচির ঘোষনা দিয়েছেন।

 শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে হুসাইন মূরাদ প্রিন্স বলেন, নায্য অধিকার আদায়ের দাবীকে দমিয়ে  রাখতে কর্তৃপক্ষ  নানাভাবে আমাদের হয়রানি করছে। মুঠোফোনে আমাদের অভিভাবকের হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি আমাদেরকে  শোকজ নোটিশ দিচ্ছে। এমন চলতে থাকলে আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করতে বাধ্য হব।

শিক্ষার্থী আরিফ সাঈদ বলেন, আমরা আমাদের নায্য দাবী আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলনন চালিয়ে যাব। বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি দ্বন্দ নিয়ে আমাদের কোন ভাবনা নেই। আমরা চাই ট্রাস্টির দ্বন্দ থেকে শিক্ষা কার্যক্রম মুক্ত থাক। আমরা কক্সবাজারের সন্তান । আমাদের ভবিষ্যত অন্ধকারচ্ছন্ন। তাই আমরা আমাদের ভবিষ্যত সাজাতে বাধ্য হয়ে আন্দোলনে নেমেছি।

স্মারকলিপিতে যেসব দাবীর কথা উল্লেখ রয়েছে সেগুলো মধ্যে অন্যতম হলো  রাষ্ট্রপতি নিয়োগকৃত ভাইস চ্যান্সেলরও ট্রেজারার নিয়োগ, স্থায়ী ক্যাম্পাস সুবিধা,  নিয়ম মোতাবেক নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা, ওয়েবসাইট, সেশনজট বিলুপ্তকরণ ও সেমিস্টার ফি নিয়ে সঠিক নীতিমালা প্রণয়ন,   ট্রাস্টি বোর্ড ও প্রশাসনিক গোলযোগ থেকে শিক্ষা কার্যক্রমকে মুক্ত রাখা, গবেষণা, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ভিজিট ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে বরাদ্দ প্রদানসহ ও ছাত্রছাত্রীদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা।

শেয়ার করুন