মূল খবরে যান

শিরোনাম
● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ

ভাল থাকিস মা…

শেয়ার করুন

জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগো নিউজের কক্সবাজার প্রতিনিধি সাঈদ আলমগীরের ফেইজবুক থেকে হবহু তুলে ধরা হলো…

“ভাল থাকিস মা…
পুরো পরিবারের (মাস্টার ভিলার) প্রাণের স্পন্দন হয়ে এসেছিলি ১৬ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ১২টায়। সহজ ভাবে না এসে কাটালি মায়ের পেট! কক্সবাজার সদর হাসপাতালে জন্মের পর মায়ের সাথে এক সপ্তাহ ছিলি হাসপাতাল। তোকে পেয়ে তোর পক্ষাঘাতে আক্রান্ত দিদা অসুস্থ শরীর নিয়েই রয়ে গিয়েছিল তোর সাথে। সবাই মাথায় করে রাখার মতো তোরে আগলে রেখেছিল। তোর আগমনে খুশি হয়ে অল্পদিনেই আকিকার আয়োজনে ইছালে ছওয়াব মাহফিলও করেছে তোর দাদা, চাচারা। নিজেদের নামের সাথে মিলিয়ে তোর বড় ফুফি নাম রেখেছে উম্মে আয়মন তাহিয়া। সেটি কাগজে কলমের নাম হলেও আমার মায়ের কাছে (তার দাদি) তুই ছিলি সোহাগী আর অন্যদের কাছে ছিলি বাবুনি। অল্পদিনের মাঝে তুই নানাবাড়িও ঘুরে এসেছিস। নানা বাড়িতেও পেয়েছিস আদর। তোর আফরোজা আপু ছিল তোর পাগলা ঘোড়া। তুই আসার পর থেকে তোর কান্না শুনতে, মুচকি হাসি দেখতে মন উতলা হয়ে থাকত। পেশাগত কাজে জেলা সদরে অবস্থান করলেও তোর কাছেই পড়ে থাকত মনটা।

তোকে নিয়ে ইচ্ছেছিল অনেক। চিকিৎসকদের অনেকে মানুষের অসহায়ত্ব (অসুস্থতা) নিয়ে বাণিজ্য করে দেখেছি। তাই তোকে ডাক্তার হবার মন্ত্রণা দেব বলে মনস্থির করেছিলাম। এর প্রাথমিক ভিত্তি হিসেবে একটি শিক্ষাবীমাও চালুর প্রক্রিয়া গুছিয়ে নিয়েছিলাম। কিন্তু সব…

তোর আয়ূকাল মাত্র ৪০দিন পূর্ণ হলো আজ। কিন্তু তোকে দেখে সবাই ধারণা করতো তোর বয়স তিন-চারমাস পার হয়েছে। গায়ের ত্বকটা পেয়েছিলি দুধে আলতা। এক কথায় সবার আদরের মধ্যমনি। কিন্তু কে জানত তুই এত অল্প সময় নিয়ে আমাদের মাঝে এসেছিলি…

তোর ঠান্ডা লাগাটা হয়তো আরো কয়েকদিন আগে হবে। তবে, তোর নাদুসনুদুসতায় কেউ ঠের পায়নি…

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা চট্টগ্রামের মেডিকেল সেন্টার হাসপাতালের NICU তে চিকিৎসা নিতে গিয়ে তারই প্রতিশোধ নিলি এভাবে ব্যাথার সাগরে ফেলে-

যার কাছ থেকে এসেছিলি- গেলিতো তারই কাছে; তাঁর সাথেতো আর আড়ি ধরা যায় না- তাই বলি যেখানে থাকিস ভাল থাকিস;

তোর অভাগা এ বাবাটাকে ক্ষমা করিস মা…”

শেয়ার করুন