মূল খবরে যান

শিরোনাম
● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ

বিজয়ের এই দিনে একজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার উদারতা

শেয়ার করুন

কাজী এম আবদুল্লাহ আল মামুন,(রামু): চলছে এখন বিজয়ের মাস। ১৯৭১ সালে দীর্ঘ ৯ মাস পাক বাহিনীর সাথে যুদ্ধ করে ও ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে এই মাসে বিজয় ছিনিয়ে আনা হয়েছিল।

আর একারনে প্রতিবছর ১৬ ডিসেম্বর আমরা
জাতীয় বিজয় দিবস হিসেবে বিভিন্ন কর্মসুচীর মধ্যে দিয়ে উদযাপন করি। আর এই ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস উপলক্ষে রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শাহাজান আলী গ্রহন করলেন এক ব্যতিক্রম ধর্মী মহতী উদ্যেগ।
এমনিতেই শীত মৌসুম সে বিবেচনায় তিনি শতাধিক পথ শিশু,অসহায়, দুঃস্হ শীতার্তদের মাঝে কম্বল তোলে দিয়ে তাদের মুখে হাসি ফোটালেন। বিজয় দিবসে শীতার্তদের কাছে পাওয়ার মন মানসিকতায় তাঁর এই মহতি উদ্যেগ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকলো। সেই মহতী উদ্যেগকে অনুস্বরন করে আর্ত মানবতার কল্যানে যদি সমাজের বিত্তবানরা অসহায়দের পার্শে দাড়াই হয়তো এই কনকনে শীতে স্বাধীন আমার এই বাংলাদেশে আর কেউ কষ্ট পাবেনা।

১৫ ডিসেম্বর শুক্রবার রাতে রামু উপজেলা পরিষদ চত্বরে শীতার্দের মাঝে এসব কম্বল বিতরন করা হয়।
এসময় তাঁর সাথে ছিলেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মাহবুর রহমান সহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তা বৃন্দ।

শেয়ার করুন