মূল খবরে যান

শিরোনাম
● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল● দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম● সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন● কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য● পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু● উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ● আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর

বান্দরবানে আ’লীগ নেতা অপহরণ ঘটনায় নাইক্ষ্যংছড়িতে প্রতিবাদ সভা

শেয়ার করুন

হাফিজুল ইসলাম চৌধুরী: বান্দরবান পৌরসভার ৫ নম্বর ওর্য়াডের সাবেক কাউন্সিলর ও পৌর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি চথুইমং মারমা অপহরণ ঘটনায় নাইক্ষ্যংছড়িতে প্রতিবাদ সভা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩মে) দুপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে দলের কার্যালয়ে ওই প্রতিবাদ সভাটি হয়। এসময় বক্তব্য দেন- উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইমরান, দপ্তর সম্পাদক ও প্রেসক্লাব সভাপতি শামীম ইকবাল চৌধুরী, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি আব্দু সাত্তার, উপজেলা কৃষকলীগ সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন মামুন শিমুল, উপজেলা ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম প্রমূখ। প্রতিবাদ সভায় তাঁরা অবিলম্বে অপহৃত চথুইমং মারমার মুক্তির দাবি জানিয়েছে।

গত বুধবার রাত পৌনে নয়টার দিকে বান্দরবান সদর উপজেলায় কুহালং ইউনিয়নের উজিমুখ হেডম্যানপাড়ার খামারবাড়ি থেকে চথুইমং মারমাকে অপহরণ করা হয়।

অপহৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্যরা জানান, জেলা শহর থেকে মাত্র পাঁচ কিলোমিটার দুরে উজিমুখ হেডম্যানপাড়ায় চথুইমং মারমার খামারবাড়িতে আট-নয়জনের একটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী দল হানা দেয়। সন্ত্রাসীরা চথুইমং মারমাকে খামারবাড়ি থেকে টেনেহিঁচড়ে ধরে নিয়ে যায়। এ সময় তাঁর স্ত্রীও খামারে ছিলেন। স্বামীকে নিয়ে যাওয়ার সময় বাধা দিলে তাঁকেও সন্ত্রাসীরা কিলঘুষি ও লাঠি মারে।

চথুইমং মারমার স্ত্রী বলেছেন, সন্ত্রাসীরা খামারবাড়িতে এসে তাঁর স্বামীকে ডাকাডাকি করে। তাঁকে পেয়ে ধরে পাহাড়ের দিকে নিয়ে যায়। সন্ত্রাসীরা চাকমা, মারমা ও বাংলা ভাষায় কথা বলছিল। তবে তিনি তাদের কাউকে চিনতে পারেননি।

এ ঘটনায় বান্দরবানের পুলিশ সুপার জাকির হোসেন মজুমদার বলেছেন, চথুইমং অপহরণের ব্যাপারে জানার পর তাৎক্ষণিকভাবে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। সন্ত্রাসীরা যেদিকে চথুইমংকে নিয়ে গেছে, সেদিকে অভিযানের দল অগ্রসর হচ্ছে। তবে অপহরণকারী কারা হতে পারে, তা শনাক্ত করা যায়নি।

শেয়ার করুন