মূল খবরে যান

শিরোনাম
● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল

বাইশারী-গর্জনীয়া সড়কে তামাক পাতা পোড়াতে কাঠ পাচার অব্যাহত: নিরব প্রশাসন

শেয়ার করুন

At Baishari.psd

পার্বত্য জনপদ বাইশারী ইউনিয়নের বনাঞ্চল ও ব্যক্তি মালিকানাধীন বাগানের কাঠ কেটে তামাক চুল্লিতে পোড়ানোর জন্য পাচার হচ্ছে নিয়মিত। তামাক চাষ এবং পাতা পোড়ানো বন্ধে সরকারী ভাবে কোন আইন বা নিষেধাজ্ঞা না থাকায় চলছে ধ্বংসযজ্ঞ। নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ও রামু উপজেলার গর্জনীয়া-কচ্চপিয়া ইউনিয়নে তামাকের আবাদ যে হারে বাড়ছে তাতে একদিকে যেমন ফসলি জমি কমছে, অন্যদিকে তামাক পাতা পোড়ানোর জন্য বনের কাঠ পোড়ানোর হিড়িক পড়েছে। এতে সবুজ পাহাড় ধ্বংসের পাশাপাশি হুমকির মুখে পড়ছে বন্যপ্রানীরাও।
এসব তামাক চুল্লিতে কাঠ পোড়ানোর জন্য বাইশারীর সংরক্ষিত বনাঞ্চল ছাড়াও উজাড় হচ্ছে প্রাকৃতিক বনজ সম্পদ। রাত নামলেই বাইশারী-গর্জনীয়া সড়ক যেন কাঠ পাচারের গাড়ীর বহরে পরিণত হতে দেখা যায়। প্রকাশ্যে কাঠ পাচারকালীন বন বিভাগ ও অন্যান্য প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মাঝে মধ্যে ঘুম ভাঙ্গলেও উৎকোচের বিনিময়ে এসব কাঠ বোঝাই গাড়ী গুলো ছেড়ে দেয়।
তারই প্রেক্ষিতে গত ১৫ মার্চ রাত ১০ টার দিকে তামাক চুল্লিতে পোড়ানোর জন্য কাঠ পাচার করার সময় তিনটি গাড়ী আটক করলেও স্থানীয় প্রভাবশালী কাঠ পাচারকারীদের মধ্যস্থতায় প্রথমে ছেড়ে দিলেও পরে বনিবনা না হওয়ায় একটি ছেড়ে দিয়ে বাকী ২টি কাঠ বোঝাই গাড়ী গর্জনীয়া ইউনিয়নের থোয়াইঙ্গাকাটা থেকে আটক করে বাইশারী সাঙ্গু রেঞ্জে নিয়ে আসে স্থানীয় প্রশাসন ও সাঙ্গু রেঞ্জ কর্মকর্তারা। পরে কাঠপাচারকারীরা অনেক দেনদরবার করলেও প্রকাশ হয়ে পড়ায় কাঠবোঝাই গাড়ী ছাড়িয়ে নিতে পারে নি বলে সুত্রে জানা যায়।    নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক লোকজন এই প্রতিবেদকের নিকট বলেন, এভাবে বন বিভাগ ও প্রশাসন মিলে টাকার বিনিময়ে এসব কাঠ বোঝাই গাড়ী গুলো ছেড়ে দিলে কাঠপাচারকারীরা আরো অপ্রতিরোধ্য হয়ে পড়বে। তারা আরো বলেন, স্থানীয় প্রশাসন ও বন বিভাগের সাথে রয়েছে গভির সখ্য। যার কারণে বিনা বাঁধায় সরকারী লক্ষ লক্ষ টাকার রাজস্ব ছাড়াই কাঠ পাচার করে যাচ্ছে পাচারকারীরা।
এ বিষয়ে স্থানীয় সাঙ্গু রেঞ্জ কর্মকর্তা রেজাউল করিম কাঠ বোঝাই বলেন, টাকার বিনিময়ে কাঠ পাচারের বিষয়ে আমি জানি না। তবে শীগ্রই কাঠ পাচারকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হবে।

শেয়ার করুন