৩১ আগস্ট, ২০২৫ | ১৬ ভাদ্র, ১৪৩২ | ৭ রবিউল আউয়াল, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  শিক্ষার্থীদের ভালোবাসায় সিক্ত কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান   ●  “প্লাস্টিক উৎপাদন কমানো না গেলে এর ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ আনা সম্ভব নয়”   ●  নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে কক্সবাজারে তাঁতীদলের খালেদা জিয়ার জন্মদিন পালন   ●  বৃহত্তর হলদিয়া পালং বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল আজিজ মেম্বারের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ   ●  মরিচ্যা পালং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা   ●  রামুতে বনবিভাগের নির্মাধীন স্থাপনা উচ্ছেদ নিয়ে প্রশাসন ও বনকর্মীদের মাঝে প্রকাশ্যে বাকবিতন্ডা   ●  সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছৈয়দ নুরের মৃত্যুতে জেলা বিএনপির শোক   ●  চুরি করতে গিয়ে পুলিশ কনস্টেবলের স্ত্রী ধর্ষণ   ●  আজ রিমান্ডে পেকুয়া নেওয়া হচ্ছে জাফর আলমকে, নিরাপত্তার শঙ্কা!   ●  কক্সবাজারে ঝটিকা মিছিলে ঘুম ভাঙলো পুলিশের, গ্রেফতার ৫৫

বাংলাদেশকে অবিস্মরণীয় জয় উপহার দিলেন সাকিব-মাহমুদউল্লাহ


এমন ব্যাটিং, এমন জয় স্বপ্নেই শুধু কল্পনা করা যায়। বাস্তবে খুব একটা ধরা দেয় না। কার্ডিফের সোফিয়া গার্ডেনে নিউজিল্যান্ডকে ২৬৫ রানে বেধে রাখার পর জয়ের স্বপ্ন উঁকি দিয়েছিল; কিন্তু ৩৩ রানে তামিম, সৌম্য, সাব্বির এবং মুশফিক ফিরে যাওয়ার পর বাংলাদেশের সমর্থকরা শুধু ভেবেছিল, কত সম্মানজনকভাবে হারা যায়!
কিন্তু টিম বাংলাদেশের পরিত্রাতা হয়ে আবির্ভূত হলেন দু’জন, সাকিব আল হাসান এবং মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। দু’জনের জোড়া সেঞ্চুরি অবিশ্বাস্য স্বপ্নকেই হাতের মুঠোয় পুরে দিলো। দু’জনের ২২৪ রানের অসাধারণ এক জুটি বাংলাদেশকে এনে দিল অবিস্মরণীয় এক জয়। সে সঙ্গে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে বাংলাদেশের সেমির আশাও টিকিয়ে রাখলেন সাকিব-মাহমুদউল্লাহ।
অসাধারণ একটি জুটি। এমন একটি জুটিই প্রত্যাশা করেছিল বাংলাদেশের ক্রিকেট সমর্থকরা। আশা ছিল তামিম ইকবাল দাঁড়াতে পারবেন। প্রথম ম্যাচে সেঞ্চুরির পর দ্বিতীয় ম্যাচে ৯৫ রান। তামিমের ওপরই ছিল সমস্ত আশা-ভরসা; কিন্তু ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই যখন তিনি আউট হয়ে গেলেন, তখন সে আশা পরিণত হলো শঙ্কায়।
২৬৫ রানের বেধে রাখার পর কী তাহলে বাংলাদেশের স্বপ্ন পূরণ হবে না? অতৃপ্তি নিয়েই ফিরে যেতে হবে? এমনই আশা-আশঙ্কার দোলাচলে দুলতে দুলতে বাংলাদেশের ক্রিকেট সমর্থকরা যখন সাত-পাঁচ ভাবছিল, ততক্ষণে উইকেট থেকে বিদায় নিয়ে নিলেন সাব্বির রহমান, সৌম্য সরকার এবং মুশফিকুর রহীমও।
৩৩ রানে চার উইকেট নাই। মহা বিপর্যয়ে বলা যায় বাংলাদেশ। এই বিপর্যয় থেকে কে রক্ষা করবে? কে দেখাবে আশা? পয়া ভেন্যু সোফিয়া গার্ডেন কী তবে আজ খালি হাতেই ফেরত পাঠাবে? সমর্থকরা যখন এসব ভাবছিলেন, তখন উইকেটে নেমে থিতু হওয়ার চেষ্টা করছিলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ এবং সাকিব আল হাসান।
সেই চেষ্টা থেকেই জুটিটাকে ধীরে ধীরে বড় করতে লাগলেন তারা দু’জন। শেষ পর্যন্ত সেই জুটির রান ১০০ পার হয়ে গেলো। এমনকি বাংলাদেশ যে ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছিল সেখান থেকে আশার আলোও দেখাতে শুরু করে দিয়েছেন তারা দু’জন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।