২১ মার্চ, ২০২৬ | ৭ চৈত্র, ১৪৩২ | ১ শাওয়াল, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  উখিয়ায় মাত্তুল শফিকের নেতৃত্বে ছাত্রদল নেতাদের উপর সন্ত্রাসী হামলা   ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন   ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার

ফিতরা সর্বনিম্ন ৬৫ টাকা, সর্বোচ্চ ১৯৮০ টাকা

১৪৩৮ হিজরি সালের ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে জনপ্রতি সর্বনিম্ন ৬৫ টাকা ও সর্বোচ্চ ১৯৮০ টাকা। আজ বৃহস্পতিবার ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মাওলানা মো. মিজানুর রহমান। গত বছর জনপ্রতি সর্বনিম্ন ৬৫ টাকা থাকলেও সর্বোচ্চ ফিতরা ছিল ১৬৫০ টাকা। ইসলামী শরিয়া মতে, আটা, খেজুর, কিসমিস, পনির ও যব ইত্যাদি পণ্যগুলোর যেকোনো একটি দিয়ে ফিতরা আদায় করা যায় বলে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

আটা দিয়ে ফিতরা আদায় করলে অর্ধ সা বা এক কেজি ৬৫০ গ্রাম বা এর বাজারমূল্য ৬৫ টাকা, যব দিয়ে আদায় করলে এক সা বা ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজারমূল্য ৫৬০ টাকা, কিসমিস দিয়ে আদায় করলে এক সা বা ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজারমূল্য ১২৫০ টাকা আদায় করতে হবে। খেজুর দিয়ে আদায় করলে এক সা বা ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজারমূল্য ১৬৫০ টাকা এবং পনির দিয়ে আদায় করলে এক সা বা ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজারমূল্য ১৯৮০ টাকা আদায় করতে হবে।

মুসলমানরা নিজ নিজ সামর্থ্য অনুসারে উপরোক্ত পণ্যগুলোর যেকোনো একটি বা তার বাজারমূল্য দিয়ে সাদকাতুল ফিতর আদায় করতে পারবেন। তবে পণ্যগুলোর স্থানীয় খুচরা বাজার মূল্যের তারতম্যের কারণে স্থানীয় মূল্যে পরিশোধ করলেও ফিতরা আদায় হবে। সভায় জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সদস্য মো. মোজাহারুল মান্নান, ড. মুহাম্মদ আবদুস সালাম, মুফতি মো. আবদুল্লাহ, প্রফেসর সিরাজউদ্দিন আহমদ, মুফাস্‌সির ড. মো. আবু সালেহ পাটোয়ারী, মুফতি মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান, ড. আবদুল জলীল, মুফতি এহসানুল হক, মুহাম্মদ মুহিবুল্লাহিল বাকী নদভী, শাঈখ মুহাম্মদ উছমান গণী, অধ্যক্ষ মাওলানা মো. আবদুর রাজ্জাক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।