৮ এপ্রিল, ২০২৬ | ২৫ চৈত্র, ১৪৩২ | ১৯ শাওয়াল, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  প্রতারণা-জালিয়াতিই যেন বেলায়তের নীতি!   ●  উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ   ●  পাতাবাড়ি স্কুল প্রাক্তনদের পুনর্মিলনী ২৮ মার্চ   ●  উখিয়ায় মাত্তুল শফিকের নেতৃত্বে ছাত্রদল নেতাদের উপর সন্ত্রাসী হামলা   ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন   ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ

প্রতারণা-জালিয়াতিই যেন বেলায়তের নীতি!

নিজস্ব প্রতিবেদক:-

কক্সবাজার পর্যটন জোনের কলাতলীতে প্রতারণা ও জালিয়াতিতে মূর্তিমাণ আতংক হয়ে উঠেছে একটি দুর্ধর্ষ প্রতারক চক্র। এ চক্রের ভয়ানক প্রতারণা থেকে রেহাই পাচ্ছে না কেউ। ব্যবসায়ী, স্থানীয় সমাজপতি, মান্যগণ্য ব্যাক্তি এবং পর্যটন উদ্যোক্তা থেকে শুরু করে বিত্তশালী পরিবার কিংবা স্বজনরাও তাদের একের পর এক শিকারে পরিণত হচ্ছে।
মামলা বাণিজ্য, জমি দখল, পাহাড় কাটা, জাল দলিল সৃজন করে ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়, সরকারি পাহাড় দখল করে প্লট বানিয়ে বিক্রিসহ এমন কোনো দুঃসাহসী অপকর্ম নেই; যা তারা করছে না। চক্রের হোতা হিসেবে সন্তর্পনে হাঁটে বর্ণচোরা এক পল্টিবাজ। যিনি ক্ষমতাশীন দলের সংগঠনের কর্মী পরিচয়ে মিটিং-মিছিলে টাকা খরচ করে অনুকম্পা আদায় করে থাকে। কৌশলে প্রশাসনের শীর্ষ ব্যক্তিসহ নানা জনের সাথে সম্পর্ক স্থাপনের পর মিথ্যেকাহিনীতে তাদের কাবু করছে। এভাবে নিজের মোনাফেকির বাস্তবায়ন করে।

প্রতারক ও জালিয়াত চক্রের হোতা এ যুবক হলেন- কক্সবাজার সদরের কলাতলীর আদর্শগ্রাম এলাকার আশ্রিত মহেশখালীর সিরাজ আহমদের ছেলে বেলায়ত হোসেন (৪১)। তিনভাইয়ের মাঝে বড় বেলায়েত দারোয়ান পিতার কষ্টের সংসারের গ্লানি মুছে প্রতারণায় কোটি টাকার মালিক। তবে, নেই কোন দৃশ্যমান ব্যবসা-বাণিজ্য। কিন্তু ঝিলংজা ও কলাতলী মৌজায় নিজেকে পরিচিত করিয়েছেন ‘ল্যান্ড লর্ড’ হিসেবে। যেখানেই ঝামেলা সেখানেই বেলায়েত চক্র। তার চক্রে রয়েছেন আইনজীবী, পুরোনো ভূমিদস্যু, অস্ত্রধারি অপরাধী, সরকারি বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারিসহ একদল উশৃংখল নারী।

পিবিআই কক্সবাজার কার্যালয়ের জন্য অধিগ্রহণ করা জমিতে জালিয়াতির মাধ্যমে কোটি টাকা তুলে আত্মসাৎ করে বেলায়েত চক্র। এ জালিয়াতি ধরে ফেলে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তাদের দায়ের করা মামলায় কারাভোগ করে বেলায়েতসহ চক্রের একাধিক জন। বেশকিছু দিন জেল খেটে জামিনে বের হয়ে, টাকা ঢেলে দুদকের মামলাটি ‘ফ্রিজ’ করে চার্জশিট প্রদান ঠেকিয়ে রাখা হয়েছে বলে প্রচার রয়েছে।

স্থানীয়দের মতে, মূলত পিবিআই প্রকল্পের আত্মসাৎ মামলায় করাভোগ করে বের হওয়ার পর বেপরোয়া হয়ে উঠে বেলায়ত চক্র। পর্যটন জোনে কোন জমি খালি দেখলে বা কোন জমিতে হালকা সমস্যার কথা জানতে পারলেই কূটকৌশলে ভূয়া কাগজ তৈরি করে সেই জমিতে নাকগলায় তার চক্র। টুকে দেয়া হয় নানা আাদলতে একাধিক মামলা। ভোগান্তিতে পড়ে অনেকে হয় জমি ছেড়েছে, নয়ত নিকোজিশন করতে বাধ্য হয়েছে। নরম নরম কথা বলে মানুষকে ধোঁকা দেয়া বেলায়েত জমি দখল ও দস্যুপনায় নিজের স্ত্রী-মা-বোনদের লেলিয়ে দিয়ে ত্রাস সৃষ্টি করে। ব্যবহার করে টোকাই ও চাঁদাবাজদের। টাকা আদায় ও হজমের কৌশল রপ্ত করা বেলায়েত চক্রে ভুক্তভোগীর সংখ্যা ক্রমে দীর্ঘ হচ্ছে।

নিকটাত্মীয় সূত্রে জানায়, কোনোমতে মেট্রিক পাস করা বেলায়েতের বাবা সিরাজ আহমদ কক্সবাজার গণপূর্ত বিভাগে একসময় মাষ্টার রোলে দারোয়ান হিসেবে কাজ করতেন। মহেশখালীর বাসিন্দা হলেও জলবায়ু উদ্বাস্তু পরিবারটি ডিসি পাহাড় এলাকায় এক ব্যক্তির পাহারাদার হিসেবে আশ্রয় নেয়। দীর্ঘদিন সেখানে বসবাসের পর জায়গাটি ছেড়ে দিতে বাধ্য হলে পরিবারটি চরম অনিশ্চয়তায় পড়ে।
এ অবস্থায় বেলায়তের ফুফু মাজেদা মানবিক কারণে কলাতলীর আদর্শগ্রাম এলাকায় তাদের আশ্রয় দেন। সেই সময় বেকার বেলায়ত কক্সবাজার আদালতকেন্দ্রিক একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সঙ্গে দালালি ও জালিয়াতিতে জড়িয়ে পড়েন। ধীরে ধীরে সদর ভূমি অফিসের কিছু দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীর সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। এভাবে তিনি জালিয়াত চক্রের মূল হোতায় পরিণত হন।

যে ফুফু আশ্রয় দিয়েছিলেন, পরবর্তীতে তার সেই জমিই দখল করে সেখানে আধাপাকা দালান তোলে বাপ-ভাইকে দিয়ে দখল পুক্ত করায়। নিজে জবরদখল করেন আশপাশের ব্যক্তিমালিকানাধীন ও পাহাড়ি জমি। নতুন নতুন চক্র গড়ে বনবিভাগের পাহাড়ও দখলে নেন। সময়ের সঙ্গে জমি দখল ও জালিয়াতি তার প্রধান কর্মে পরিণত হয় এবং প্রতারণার মাধ্যমে অল্প সময়েই বিপুল সম্পদের মালিক বনে যান বেলায়েত।

পুলিশ সূত্রে জানায়, বেলায়তের বিরুদ্ধে কক্সবাজার সদর থানায় প্রতারণা, জালিয়াতি, দ্রুত বিচারসহ অন্তত ৯টি মামলা রয়েছে। এছাড়া আদালতে চলমান আরো ডজনাধিক মামলা।

আদালতে ভূমি সংক্রান্ত অধিকাংশ মামলার বাদি বেলায়েত। জমির মালিকদের হয়রানি করতে ভূয়া কাগজপত্রে এসব মামলা। সিভিল মামলায় কাগজ ভুয়া প্রমাণেও সময় লাগে অর্ধযুগ বা তারো বেশি। এ ভোগান্তি যারা সইতে পারেন না, তারা মাঝপথে থেমে গেলে জয় হয় বেলায়েত চক্রের। সকাল-দুপুর-সন্ধ্যা পর্যন্ত আদালত পাড়া এবং বিভিন্ন অফিসে সময় কাটে বেলায়েতের।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দৃশ্যমান কোনো বৈধ ব্যবসা নেই বেলায়েতের। তবে, কোথাও জমি বেচাকেনার খবর পেলেই বেলায়েত চক্র জাল দলিল ও ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে ওই জমির ওপর মামলা দায়ের করে। এতে প্রকৃত মালিকরা হয়রানি ও চাপের মুখে পড়ে শেষ পর্যন্ত তার সঙ্গে আপস করতে বাধ্য হন।

সম্প্রতি দেখা গেছে, কলাতলীতে কউকের আবাসন প্রকল্পের পাশের সরকারি পাহাড় দখল করে মাটি কেটে প্লট আকারে ঘর তৈরি করে ভাড়া দেয়া হয়েছে। একইভাবে আদর্শগ্রাম এলাকাতেও একাধিক পাহাড়, সরকারি জমি বা ব্যক্তির বন্দোবস্তি জমি জবরদখল করে ভাড়াবাসা করে ভাড়া দিয়ে আয় করছে।

মেহেদী হাসান নামে এক ভুক্তভোগী বলেন, কোভিডকালীন সবকিছু যখন স্তব্ধ তখন দক্ষিণ আদর্শগ্রামে আমার বাবা গোলাম হাসানের নামে বন্দোবস্ত এক একর ২৭শতক জমির মাঝখানে বসতি গড়ে বেলায়েত। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আমরা তার বিষয়ে জানতে পারি। আওয়ামী লীগের সময়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্মী পরিচয়ে দলের সহযোগিতা নিতো এখন নিজেকে জামায়াতে রুকন পরিচয় দিয়ে বিচার-শালিসে দলীয় প্রভাব খাটায়। এ কারণে তাকে আর নামাতে পারছি না। ভিন্ন এলাকার খতিয়ান, কাগজ দিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে প্রায় পাঁচটি মামলা দিয়েছে। আমাদের প্লটের মাঝখানে পথ দাবি করে ১৩৩ ধারা দায়ের করা মামলা প্রতিবেদন পেয়ে আদালত খারিজ করে দেয়। কিন্তু সম্প্রতি তার নারী বাহিনীকে সামনে দিয়ে আমার প্লটের নিরাপত্তা দেয়াল ভেঙে দেয়। এ ঘটনায় আমরা মামলা করার পর তা তুলে নিতে হুমকি দিচ্ছে বেলায়েত ও তার চক্র।

অভিযোগ উঠে, সম্প্রতি অন্যের জমি দখলের উদ্দেশ্যে বেলায়ত ও তার চক্র গত ২৫ ফেব্রুয়ারি রাতে ‘কক্সবাজার এলপিজি স্টেশন’-এ পরিকল্পিতভাব আগুন লাগিয়েছে।
এ অগ্নিকাণ্ডে আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনজন নিহত ও অন্তত আটজন এখনো হাসপাতালে।

স্টেশনটির মালিক এইচ এম নুরুল আলম সেসময় দাবি করেছিলে, এটি দুর্ঘটনা নয়-বরং পরিকল্পিত নাশকতা। তার ভাষ্য অনুযায়ী, স্টেশন থেকে কিছুটা দূরের একটি গ্যারেজে ওয়েল্ডিংয়ের মাধ্যমে বেলায়ত চক্র আগুন লাগিয়ে তা ছড়িয়ে দেয়। সেদিন সন্ধ্যার পর থেকে বেলায়েত ও তার পরিবার এবং চক্রের নানা কর্মকান্ড বিশ্লেষণ করলে এ তথ্যের প্রমাণ মিলবে। এ ধরণের বেশ কিছু ভিডিওচিত্র প্রশাসনের কাছে সরবরাহ করা আছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, অগ্নিকাণ্ডের পর প্রশাসনের নির্দেশে এলাকা ঘিরে রাখা হলেও বেলায়ত তার স্বজন ও ভাড়াটে লোকজন নিয়ে সেই ঘেরা ভেঙে ফেলে, স্থাপনা ভাঙচুর করে এবং বিভিন্ন মালামাল লুট করে নেয়। এমনকি সিসিটিভি সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও দেয়াল ভেঙে গোপন যাতায়াতের পথও তৈরি করা হয়। পাম্পের পেছনের অংশে তার ফুফু মাজেদার জমির অংশ রয়েছে। যা মাজেদারা বিক্রি করে দিলেও তা দখলে নিতে বেলায়েত অগ্নিসংযোগের মতো ভয়ানক কান্ড ঘটাতেও দ্বিধা করেনি।

ভুক্তভোগীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে আশেপাশের জমি দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছে বেলায়ত। আদালতে একাধিক মিথ্যে মামলাও দাঁড় করানো আছে তার। আদর্শগ্রাম ও আশপাশ এলাকায় জমি দখল, ভুয়া কাগজপত্র তৈরি এবং মামলা দিয়ে হয়রানি করা তার নিয়মিত কৌশল বলে উল্লেখ করেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় কফিল নামে আরেক ভুক্তভোগী বলেন, বেলায়েত পারিবারিক ভাবে পল্টিবাজ-রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে তার অবস্থানও বদলে। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় নিজেকে দলটির কর্মী হিসেবে পরিচয় দিতেন; ২০২৪ এর ৫ আগস্টের পর তিনি জামায়াতের রুকন পরিচয় দিচ্ছে এবং অপরাধ কর্মে জামায়াতের স্থানীয় ও উপজেলা পর্যায়ের নেতাদের সহযোগিতা নিচ্ছেন। তার সাথে বিভিন্ন বিচারে বা সালিশে জামায়াতের নানা স্তরের নেতাদের উপস্থিতি দেখা যায়। কিছু ধান্ধাবাজ প্রভাবশালী নেতার পাশাপাশি জমি দখলে ব্যবহার করতে টোকাই শ্রেণির নারী-পুরুষ সদস্য লালন করেন তিনি। এদের সামনে রেখে পরিস্থিতি জটিল করার কৌশল নেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, বেলায়েতের ছোট ভাই শাহাদাত হোসেন সোহেলকে এখন শ্রমিকদলের সঙ্গে যুক্ত করিয়েছেন। এলাকায় প্রচার করে তারা স্থানীয় সংসদ সদস্যের অনুসারী। তাই ভয়ে, তাদের অপরাধ কর্মে বাঁধা দেয়ার সাহস করে না কেউ। কেউ তাদের অপকর্মের বিষয়ে টুঁশব্দ করলে মব সৃষ্টি করে হামলা করা হয়। এলাকায় বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের জমি নিজের দাবি করে দেওয়ানি ও প্রশাসনিক আদালতে মামলার পর মামলা করে মানুষকে হয়রানি করা তার নেশায় পরিণত হয়েছে। এসব কারণে, তাকে জালিয়াত বেলায়েত হিসেবে চিনে লোকজন। রাজনৈতিক আশ্রয় ও অবৈধ টাকার প্রভাব বিস্তার করে বেলায়েত। ঘটনা তদন্তে গিয়ে পুলিশ সদস্যরাও তার নারী চক্রের অশালীন আচরণের শিকার হয়েছে।

এলাকাবাসীর ভাষ্য, এসব দখল ও নানা ইস্যুতে সিভিল ও ফৌজদারি আদালতে একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে। মিডিয়ার সাপোর্ট পেতে তার ছোটভাই শহিদুল ইমরান বাপ্পীকে স্থানীয় একটি আইপি টিভি এবং প্রিন্ট মিডিয়ায় সংযুক্ত করে রাখা হয়েছে। অপরাধ করে উল্টো একতরফা ভাবে নানা মিথ্যে তথ্য প্রচার করে নিজেদের প্রতি মানুষের মানবিকতা আদায়ের চেষ্টা চলে।

এসব জালিয়াতি, প্রতারণা ও পল্টিবাজি এবং দুষ্ট চক্র লালনের বিষয়ে জানতে বেলায়েত হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলে তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

কক্সবাজার সদর থানার ওসি মো. ছমিউদ্দিন বলেন, কলাতলীর বেলায়েত হোসেনের নামে একাধিক মামলা ও অভিযোগ চোখে পড়েছে। বেশির ভাগই প্রতারণা ও আইনভঙ্গের। এসব বিষয়ে গোপন তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে। ###

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।