মূল খবরে যান

শিরোনাম
● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল

পেকুয়ায় ভূমি অফিসের কর্মচারীর শাস্তি চেয়ে কাফনের কাপড় পরে মুবিনুল

শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিনিধি:
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলা ভূমি কার্যালয়ের প্রধান সহকারী তপন কান্তি পালের শাস্তি চেয়ে কাফনের কাপড় পরে শহীদ মিনারে অনশনে বসেছেন মুবিনুল হক (৫৫) নামের এক ব্যক্তি। বৃহস্পতিবার বিকেল চারটা থেকে পেকুয়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এই অনশনে বসেন তিনি।
মুবিনুল পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের পূর্ব বাইম্যাখালী গ্রামের মৃত বরকত আলীর ছেলে।
গতকাল শুক্রবার পেকুয়া শহীদ জিয়াউর রহমান উপকূলীয় কলেজ মাঠে অবস্থিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পাদদেশে অনশন করছেন মুবিনুল। তবে তাঁর সঙ্গে কেউ নেই। তিনি একাই একটি ব্যানার টাঙিয়ে ও কাফনের কাপড় পরে তিনি বসে আছেন।
মুবিনুল হকের দাবি, উপজেলা ভূমি কার্যালয়ের প্রধান সহকারী তপন কান্তি পাল তাঁর ফাইল আটকিয়ে দুই লাখ টাকা দাবি করেন। ইতিমধ্যে তিনি এক লাখ টাকা দিয়েছেনও। বাকি এক লাখ টাকা না দিলে তাঁর খতিয়ান কর্তন করার হুমকি দেন তপন।
‘বিষয়টি নিয়ে কয়েকদিন ধরে অনেক সাংবাদিকের কাছে গিয়েছি। কেউ কেউ লিখলেও বেশিরভাগ সাংবাদিক নিরব থেকেছেন। কোনো উপায় না দেখে অনশনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি’-বলেন মুবিনুল।
মুবিনুল হক বলেন, তাঁর অংশের জমি নিয়ে বোনদের আপত্তি ছিল। শুনানি শেষে সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম সেই আপত্তি খারিজ করে দেন। খারিজ আদেশের সার্টিফাইড কপি নেওয়ার জন্য পেকুয়া ভূমি অফিসের প্রধান সহকারী তপন কান্তি পালের কাছে গেলে তিনি দুই লাখ টাকা দাবি করেন। এই টাকা না দিলে তাঁর খতিয়ান কর্তন করে বোনদের নামে খতিয়ান সৃজন করে দেয়ার হুমকি দেন।
মুবিনুল বলেন, এই একটি বিষয় নিয়ে ভূমি অফিসে গত এক বছর ধরে অনেক হয়রানির শিকার হয়েছি। ভূমি অফিস যখনই খোলা থাকে আমি উপস্থিত থাকতাম। সিসিটিভি ফুটেজ দেখলে সেটার প্রমাণ পাওয়া যাবে। মুবিনুল বলেন, তপনকে এ বিষয়ে এক লাখ টাকা দিয়েছি। কিন্তু বাকি এক লাখের জন্য তিনি আপত্তি খারিজের সার্টিফাইড কপির ফাইল আটকিয়ে রেখেছেন।
ঘুষ দাবি ও অনশনের বিষয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে রাত আটটা পর্যন্ত তপন কান্তি পালের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু তিনি ফোন ধরেননি।
এ প্রসঙ্গে পেকুয়া উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘তপনের বিষয়ে মুবিনুল হক লিখিত কোনো অভিযোগ আমাকে দেননি। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে মুবিনুল পেকুয়ার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অনশন করছেন এমন একটি ভিডিও দেখেছি।

শেয়ার করুন