১৮ মার্চ, ২০২৬ | ৪ চৈত্র, ১৪৩২ | ২৮ রমজান, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  উখিয়ায় মাত্তুল শফিকের নেতৃত্বে ছাত্রদল নেতাদের উপর সন্ত্রাসী হামলা   ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন   ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার

পাসপোর্ট জালিয়াতির চেষ্টাঃ রোহিঙ্গা মহিলা ও কথিত পিতার কারাদন্ড 

আতিকুর রহমান মানিকঃ রোহিঙ্গা নারীকে নিজের মেয়ে সাজিয়ে পাসপোর্ট করতে এসে আটক হয়েছে টেকনাফের এক ব্যক্তি। কথিত মেয়ে রোজিনাও তার সাথে ধৃত হয়। মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় কক্সবাজার অাঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক অাবু নাঈম মাসুম এদের পুলিশে সোপর্দ করেন। পরে এদেরকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে কারাদন্ড প্রদান করেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ নোমান হোসেন।
আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস সূত্রে প্রকাশ, টেকনাফ উপজেলার বাহার ছড়া গ্রামের গ্রামের জনৈক এজাহার আলম তার মেয়ে রুজিনা আকতারের জন্ম নিবন্ধন সনদ, চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট ও আনুষাঙ্গিক কাগজপত্র নিয়ে রোহিঙ্গা এক নারীকে পাসপোর্ট করতে আসে। যথারীতি আবেদন কাউন্টারে ফাইল জমা দেয়ার পর কাগজপত্র, ছবি ও আবেদনকারীর আচার আচরনে অসঙ্গতি দেখা গেলে ফাইলটি আটকে চ্যালেঞ্জ করেন সহকারী পরিচালক। তখন জিজ্ঞাসাবাদের মুখে কথিত পিতা তার মেয়েকে এতদিন চট্টগ্রামে দত্তক দিয়েছিল বলে দাবী করে। পরে মেয়ে নামধারী রোজিনাকে চট্টগ্রামে কোথায় ছিল জিজ্ঞেস করলে কোন সদুত্তর দিতে পারেনি। আরো বিভিন্নভাবে যাচাই-বাছাই করার পর মহিলাটি রোহিঙ্গা বলে প্রমাণিত হলে দুপুর দুইটায় তাদেরকে সদর মডেল থানায় সোপর্দ করা হয়। এরপর কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নোমান হোসেন ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে বাংলাদেশ দন্ডবিধি’র ১৮৬ ধারা মোতাবেক এজাহার আলমকে ২ মাসের ও রোহিঙ্গা মহিলাকে ১ মাসের কারাদন্ড দেন। সদর ইউএনও এ ব্যাপারে বলেন, পুরুষ লোকটি মহিলার বাবা সেজে পাসপোর্ট করতে সহায়তা করেছে। রোহিংগাদেরকে ভোটার সহ পাসপোর্ট করতে সহায়তা করছে তাদের বিরূদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
কক্সবাজার অাঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক আবু নাঈম মাসুম বলেন, জনগন-জনপ্রতিনিধি ও পুলিশসহ সবাই সচেতন হলে রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট করার অপতৎপরতা বন্ধ হবে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।