৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ২৬ মাঘ, ১৪৩২ | ২০ শাবান, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার   ●  অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্য বোরহান উদ্দিনের বিবৃতি   ●  দৈনিক নিরপেক্ষের স্টাফ রিপোর্টার হলেন তারেক আজিজ   ●  রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর অধিকার ও স্বপ্ন বাস্তবায়নে জাতীয় অ্যাডভোকেসি সেশন অনুষ্ঠিত    ●  উখিয়া অনলাইন প্রেসক্লাবে ৮ নতুন সদস্য   ●  প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পথে আসিফ ইমরানের অনুপ্রেরণার গল্প   ●  উখিয়ায় একই পরিবারের দুই ভাই হত্যার পর আরেক ভাইকে কুপিয়ে গুরুতর জখম

দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে ইলিশ ধরছেন জেলেরা

 

ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি ও জাটকা রক্ষায় ইলিশ মাছ ধরার ক্ষেত্রে দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়েছে। মার্চ ও এপ্রিল ওই দুই মাসের জন্য সরকার নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

নিষেধাজ্ঞা শেষে আজ সোমবার থেকে মেঘনা নদীতে ইলিশ শিকারে নেমেছে প্রায় অর্ধলাখেরও বেশি জেলে।

আজ সোমবার ভোর থেকেই লক্ষ্মীপুরের কমলনগর, রামগতি, রায়পুর ও সদর উপজেলায় মেঘনা নদীতে মাছ শিকারে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে জেলেরা। নদীতে মাছ ধরা শুরু হওয়ায় জেলে পল্লীগুলোতে যেন প্রাণ ফিরে এসেছে। মাছঘাটগুলোতে জেলে, মাছ ব্যবসায়ী ও ক্রেতা-বিক্রেতাদের কর্ম তৎপরতা শুরু হয়েছে।

রামগতি ও কমলনগরের জেলেদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দুই মাস মাছ ধরা থেকে বিরত থাকার পর নদীতে মাছ শিকারে যাচ্ছেন তাঁরা। নৌকা মেরামত, জাল বোনা ও ছেঁড়া জাল ঠিকঠাক করে নেমে পড়েছেন মাছ শিকারে। বিকল্প কর্মসংস্থান না থাকায় গত দুই মাস ধারদেনা করে সংসার চলেছে। নদীতে মাছ ধরা পড়লে সামনের দিনগুলো ভালো কাটবে।

লক্ষ্মীপুর জেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা যায়, লক্ষ্মীপুরে ৪৫ হাজার ৭৭১ জন নিবন্ধিত জেলে আছেন। নিষেধাজ্ঞার সময়ে সব প্রজাতির মাছ ধরা থেকে বিরত থাকায় এদের মধ্যে থেকে ২৫ হাজার ৯৪৭ জন জেলেকে ৪০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হচ্ছে। জেলেরা চার কিস্তি পাবেন ভিজিএফের চাল।

লক্ষ্মীপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এসএম মহিব উল্লাহ জানান, নিষিদ্ধ সময়ে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদীতে মাছ শিকারের দায়ে গত দুই মাসে ২৩ জেলেকে জেল এবং ৮৮ জনকে তিন লাখ ৭২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ ছাড়া ৬৯ মাছ ধরার নৌকা জব্দ করা হয়। পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে কয়েক লাখ মিটার জাল। আজ থেকে জেলেরা নদীতে সব প্রজাতির মাছ শিকার করতে পারবে। তবে ৩০ জুন পর্যন্ত জাটকা শিকার করা যাবে না। জাটকা রক্ষায় অভিযান অব্যাহত থাকবে।

জাটকা ইলিশ রক্ষার জন্য ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত দুই মাস লক্ষ্মীপুরের রামগতি থেকে চাঁদপুরের ষাটনল পর্যন্ত মেঘনা নদীর শত কিলোমিটার এলাকায় মাছ ধরায় সরকারের নিষেধাজ্ঞা ছিল। এ ছাড়া এ সময় নদীতে মাছ ধরা, ক্রয়-বিক্রয়, সংরক্ষণ, পরিবহন, বাজারজাতকরণ নিষিদ্ধ ছিল।

ভোলার দিকেও জেলেরা ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন মাছ ধরায়। মনপুরা উপজেলার ২০ সহস্রাধিক জেলের মেঘনায় ইলিশ ধরার অপেক্ষার অবসান হচ্ছে আজ ১ মে। দুই মাস নিষেধাজ্ঞার পর আবার জাল নিয়ে নদীতে নেমেছেন জেলেরা।

নিষেধাজ্ঞার পর আজ সোমবার সকাল থেকেই মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদী ফিরে পেয়েছে তার পুরোনো চেহারা। সকাল থেকেই জেলেরা জাল, নৌকা নিয়ে মাছ ধরতে নেমে পড়েছে নদীতে। আবার মাছ ধরতে শুরু করায় জেলেদের মাঝে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।