মূল খবরে যান

শিরোনাম
● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ

তিনদিন রোহিঙ্গাদের ক্যাম্প ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

শেয়ার করুন

কক্সবাজারসময় ডেস্কঃ নির্বাচনের আগের দিন অর্থাৎ ২৯ ডিসেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত রোহিঙ্গারা যাতে কোন অজুহাতে ক্যাম্পের বাইরে যেতে বা অবস্থান করতে না পারে সে ব্যাপারে কঠোর অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আবুল খায়ের জানান, রোহিঙ্গারা কালো টাকার বিনিময়ে ভোট কেন্দ্রে কারো পক্ষাবলম্বন করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বানচাল করার অপচেষ্ঠায় লিপ্ত হতে পারে। বিষয়টি মাথায় রেখে বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা থেকে পুলিশ রোহিঙ্গাদের নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেছে।

এসময়ের ভিতরে কোন রোহিঙ্গাকে ক্যাম্পের বাইরে পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে বিদেশী নাগরিক আইনে মামলা রুজু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

এব্যাপারে কুতুপালং ক্যাম্প ইনচার্জ মো. জালাল উদ্দিন জানান, রোহিঙ্গারা যাতে ভোট চলাকালীন সময়ে ক্যাম্পের বাইরে যেতে না পারে সে ব্যাপারে তাদের উপর উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিদের্শনা রয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নিকারুজ্জামান চৌধুরী জানান, জাতীয় নির্বাচন চলাকালীন সময়ে বা নির্বাচনের আগের দিন থেকে নির্বাচনের পরের দিন পর্যন্ত রোহিঙ্গারা যেন কোন অবস্থাতেই ক্যাম্পের বাইরে যেতে না পারে সে ব্যাপারে ক্যাম্প ইনচার্জদের সর্তকতা অবলম্বন করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ইতিমধ্যে পুলিশ, বিজিবি, সেনা বাহিনী ক্যাম্প এলাকায় টহল অব্যাহত রেখেছে।

এব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে কক্সবাজার শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. আবুল কালাম জানান, জাতীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে রোহিঙ্গাদের উপর কঠোর নজরদারী রাখার জন্য ক্যাম্প সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা ও রোহিঙ্গাদের মানবিক সেবায় নিয়োজিত এনজিওদের নিদের্শ দেওয়া হয়েছে।

শেয়ার করুন