মূল খবরে যান

শিরোনাম
● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল● দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম● সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন● কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য● পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু

তাৎপর্যপূর্ণ লায়লাতুল কদর আজ

শেয়ার করুন

আজ ১৪৪২ হিজরির ২৬তম রমজান। আজ দিবাগত রাতে লাইলাতুল কদর বা শবে কদর। হজরত আয়শা (রা.) নবিয়ে করিম (সা.) কে জিজ্ঞেস করেন যে, ইয়া রাসুলাল্লাহ (সা.) আমি যদি ভাগ্যক্রমে শবে কদরের রাত পেয়ে যাই, তাহলে কী দোয়া পাঠ করবো। আল্লাহর রাসুল (সা.) আয়শা (রা.)কে বলেন, এই দোয়া পাঠ করিও। আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফউন, তুহিব্বুল আফওয়া ফাফু আন্না। অর্থাত্ হে আল্লাহ তুমি বড় ক্ষমাশীল, আমাকে ক্ষমা করো। শবে কদরের রাতে মহান আল্লাহর কাছে বেশি করে খালিছ তাওবা করা উচিত। শবে কদরের রাত থেকে অনেক মহিলা ইতিকাফে বসতে চান। তাই কোনো মহিলা যদি ইতিকাফে বসতে চান, তাহলে তার হাজবেন্ড যেন তাকে খুশি মনে ইতিকাফে বসার অনুমতি দান করেন। মহিলাদের নিজ গৃহকোণে ইতিকাফে বসতে হবে। শবে কদরের রাত থেকে অনেক পুরুষও ইতিকাফে বসতে চান। মহান আল্লাহ পাক সবার ইতিকাফ এবং মহান আল্লাহর নিকট খালিছ তাওবাকে কবুল করুন।

রাসুলে পাক সা. বলেন, লাও লাম তুজনিবু লাযাহাবাল্লাহু বিকুম ওয়া লিজায়া বিকাওমিন ইয়ুযনিবুনা ফাইয়াসতাগফিরুনাল্লাহু ফাইয়াগফিরুলাহুম। অর্থাত্ তোমরা যদি গোনাহ না করো, তবে আল্লাহ পাক তোমাদের সরিয়ে দেবেন এবং সে স্থলে এমন জাতি সৃষ্টি করবেন যারা গোনাহ করবে। অতঃপর আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইবে। তখন তিনিও তাদেরকে ক্ষমা করে দেবেন। (মুসলিম) মহান আল্লাহর কাছে তাওবাহ করতে দেরি করা এবং গোনাহের কাজে অটল থাকা মহা বড় পাপ। তাওবা কবুল হওয়ার শর্তাবলি। এক. সংশ্লিষ্ট গোনাহের কাজটিকে সম্পূর্ণরূপে পরিত্যাগ করা। দুই. কৃত পাপের কারণে মহান আল্লাহর কাছে লজ্জিত হওয়া। ভবিষ্যতে পুনরায় উক্ত পাপে লিপ্ত হবে না, এ কথার ওপর দৃঢ় অঙ্গীকার করা। তাওবার ক্ষেত্র চার ভাগে বিভক্ত।

শেয়ার করুন