১০ মার্চ, ২০২৬ | ২৫ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ২০ রমজান, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন   ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার   ●  অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্য বোরহান উদ্দিনের বিবৃতি

টেকনাফে ভারীবর্ষণে লবণের মাঠ প্লাবিতঃ চাষীদের কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি


টেকনাফে ভারীবর্ষণে লন্ড-ভন্ড হয়ে পানিতে ভেসে গেছে হাজার হাজার একর লবণের মাঠ। এতে লবণ চাষীরা কোটি কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।
১০মার্চ ভোররাতে হঠাৎ করে পুরো টেকনাফে ভারী বৃষ্টি শুরু হয়ে ৩-৪ঘন্টাব্যাপী স্থায়ী হওয়ায় চারদিকে পানিতে থৈ থৈ হয়ে যায়। এতে উপজেলার পৌর এলাকা ও হোয়াইক্যং,হ্নীলা,সদর ও সাবরাং ইউনিয়নের হাজার হাজার একর লবণের মাঠ পানিতে প্লাবিত হয়ে তলিয়ে যায়। গত বছর লবণ চাষে চড়া দাম পাওয়ায় টেকনাফের কৃষকেরা আরো বেশী লবণ চাষের দিকে ঝুকেঁ পড়ছিল। গত বছর ৮৮হাজার ২শ মেট্রিকটন লবণ উৎপাদন করলেও চলতি মৌসুমে উপজেলার সাবরাং টেকনাফ পৌর,সদর,হ্নীলা ও হোয়াইক্যং ইউনিয়নে গত বছর লবণের চড়া দাম পাওয়ায় অনেকে লোভের বশীভূত হয়েই লবণ চাষীরা আরো বেশী লবণ উৎপাদনের লক্ষ্যে চাষাবাদ শুরু করেছিল। হঠাৎ ভারী বৃষ্টি লবণ চাষীদের মাথায় হাত দিতে হচ্ছে। গত ২০১৫-২০১৬ইং মৌসুমে টেকনাফ উপজেলায় প্রত্যন্ত এলাকায় ২হাজার ৭শ একর জমি হতে ৮৮হাজার ২শ মেট্রিক টন লবণ উৎপাদন হয়েছে। এদিকে হ্নীলা ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হোছাইন মুহাম্মদ আনিম জানান-এই বৃষ্টিতে লবণ চাষ বাবদ ৩লক্ষ টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে। ২০১৬-২০১৭ইং মৌসুমে চাষ এবং উৎপাদন দুটিই সমানতালে বাড়তে পারে বলে ধারণা করলেও এই ভারী বৃষ্টি তাদের আশাহত করেছেন। এদিকে টেকনাফ বিসিক লবণ কেন্দ্র কার্য্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান জানান ভারী বৃষ্টির কারণে উপজেলার পৌর এলাকা ও ৪টি ইউনিয়নে সপ্তাহ খানেক লবণ চাষ হতে পারে। আগামীতে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চাষীরা আরো ভাল লবণ উৎপাদনে যেতে পারবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তবে চলতি বছর কক্সবাজার জেলার জন্য ১৮লক্ষ মেট্রিক টন লবণ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।