২১ জানুয়ারি, ২০২৬ | ৭ মাঘ, ১৪৩২ | ১ শাবান, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  উখিয়ায় একই পরিবারের দুই ভাই হত্যার পর আরেক ভাইকে কুপিয়ে গুরুতর জখম   ●  উখিয়ায় বেকারি মালিককে ছু’রি’কা’ঘা’ত, আটক ১   ●  খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় সিবিআইউ ছাত্রদলের দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে   ●  উখিয়া–নাইক্ষংছড়িতে আলোচিত মাদক ও জাল টাকা মামলার সংশ্লিষ্টদের প্রকাশ্য প্রচারণা নিয়ে প্রশ্ন   ●  আ.লীগের বদি’র ক্যাশিয়ার দশবছর পর ফিরলেন বিএনপিতে   ●  অসহায় শিশুদের জন্য শীতকালীন বস্ত্র উপহার দিল স্টুডেন্টস’ প্ল্যাটফর্ম   ●  মানবিক কাজে বিশেষ অবদান; হাসিঘর ফাউন্ডেশনকে সম্মাননা প্রদান   ●  দুই দিন ধরে নিখোঁজ প্রবাল নিউজের প্রতিবেদক জুয়েল হাসান, থানায় জিডি   ●  গ্রামে গ্রামে আনন্দের স্রোত   ●  সিবিআইউ’র আইন বিভাগের ১৭তম ব্যাচের বিদায় অনুষ্ঠান সম্পন্ন

টেকনাফে অপহরণ চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক:
কক্সবাজারের টেকনাফের বাহারছড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে অপহরণ চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার ভোরে বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক (এসআই)  মো. দস্তগীর হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের টিম শীলখালী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের  গ্রেফতার করেন।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের উত্তর শীলখালী এলাকার মৃত অলি চাঁনের ছেলে বাহাদুর (২৮) এবং অন্যজন একই এলাকার মোজাহেরুল ইসলাম প্রকাশ গুরুতাইন্না মাইজ্যার ছেলে বাবুলা (৩২)।
অভিযানে নেতৃত্বদানকারী বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. দস্তগীর হোসেন বলেন, টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নির্দেশে শনিবার (২৭ এপ্রিল) ভোরে  একটি চৌকস টিম বাহারছড়ার শীলখালী এলাকায় অভিযান চালায়। ওই সময় অপহরণকারী চক্রের  দুই সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়।
তিনি বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ২ জনই হেলাল – মোর্শেদ-বদরুজ সিন্ডিকেটের অপহরণকারী চক্রের সদস্য বলে স্বীকার করে। তারা দীর্ঘদিন হেলাল, মোর্শেদ ও বদরুজের নেতৃত্বে টেকনাফের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ অপহরণ করে পাহাড়ে নিয়ে গিয়ে মুক্তিপণ আদায় করে বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানান।
পুলিশ কর্মকর্তা মো.দস্তগীর হোসেন বলেন, গ্রেফতারকৃতদের ৩ রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।
সূত্র মতে, এর আগে টেকনাফে ১০ জন কৃষক (ভিকটিম) অপহরণের ঘটনায় টেকনাফ মডেল থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু হয়। মামলার নং -৫৬ যার তদন্তকারী কর্মকর্তা হলেন এসআই মো. দস্তগীর হোসেন।
উল্লেখ্য, ওই মামলায় পূর্বে তিনজন গ্রেফতার করা হয়। তিনজনই বিজ্ঞ আদালতে নিজেদের অপরাধ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করেন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।