মূল খবরে যান

শিরোনাম
● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল

টেকনাফ হোয়াক্যংয়ের লবণ মাঠে মিললো সাড়ে ৭ কোটি টাকার ইয়াবা

শেয়ার করুন

কক্সবাজারসময় ডেস্কঃ কক্সবাজারের টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ে জাফর প্রজেক্টের লবণ মাঠে পরিত্যক্ত অবস্থায় মিললো আড়াই লাখ পিস ইয়াবা। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা এই ইয়াবা উদ্ধার করেছেন। এসময় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। এই ইয়াবার মূল্য সাড়ে ৭ কোটি টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি।

মঙ্গলবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এসব তথ্য জানিয়েছেন টেকনাফ ২ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. আছাদুদ-জামান চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘মিয়ানমার থেকে  ইয়াবা বড়ির একটি চালান আসার গোপন সংবাদ পাওয়া যায়। এই খবরে মঙ্গলবার ভোর রাত ৫টার দিকে জীম্মংখালী বিওপির একটি বিশেষ টহল দল টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ে জাফর প্রজেক্টের লবণ মাঠ এলাকায় অবস্থান নেয়। এসময় একদল সন্দেহভাজন লোক বস্তা মাথায় নিয়ে হোয়াইক্যং জাফর প্রজেক্ট লবণ মাঠ এলাকা দিয়ে নয়াবাজারের দিকে যাচ্ছে। বিজিবির টহল দল এসময় তাদের দূর থেকে থামার নির্দেশ দিলে তারা দৌড়াতে থাকে। বিজিবি সদস্যরা ধাওয়া করলে এক পর্যায়ে চোরাকারবারিরা বস্তাটি ফেলে দ্রুত অন্ধকারের সুযোগে পাশের গ্রামের ভেতর পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে ওই এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে চোরাকারবারিদের ফেলে যাওয়া ২ লাখ ৫০ হাজার পিছ ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়।’

তিনি আরও জানান, উদ্ধারকৃত ইয়াবা বড়ির আনুমানিক মূল্য ৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা। ইয়াবাগুলো ব্যাটালিয়ন সদরে জমা রাখা হয়েছে যা পরবর্তীতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের প্রতিনিধি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও মিডিয়াকর্মীদের উপস্থিতিতে ধ্বংস করা হবে।

শেয়ার করুন