মূল খবরে যান

শিরোনাম
● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল

টেকনাফ পৌরসভায় অগ্নিকান্ডে ৩০টি বসতি পুড়ে ছাঁই

শেয়ার করুন


টেকনাফ পৌরসভায় অগ্নিকান্ডে ভাড়াবাসার ৩০টি বসত-বাড়ি পুঁড়ে ছাঁই হয়ে গেছে। এতে দুইজন আহত হয়ে চিকিৎসাধীন থাকলেও আনুমানিক কোটির টাকার ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়েছে।
জানা যায়,৮মে দুপুর সাড়ে ১২টারদিকে টেকনাফ পৌরসভার বাসষ্টেশনস্থ পশ্চিমে ছিদ্দিক কলোনী তথা ভাড়াবাসায় রান্নাবান্নার কাজে ব্যবহৃত একটি গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে অগ্নিকান্ডের সুত্রপাত হয়। হালকা বাতাস থাকায় তা মুর্হুতে পুরো কলোনীতে ছড়িয়ে পড়ে। এই বিষয়ে স্থানীয় ফায়ার সার্ভিসকে অবহিত করা হলে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে পানি সংকটের অজুহাতে কোন ধরনের পদক্ষেপ না নেওয়ায় ঘন্টাব্যাপী অগ্নিকান্ডে পণ্যের গুদাম,ভাড়াবাসাসহ প্রায় ৩০টি বসতি পুঁড়ে ছাঁই হয়ে গেছে। এতে স্থানীয় আহমদের স্ত্রী ফাতেমা বেগম ও মেয়ে রেহেনা অগ্নিকান্ডে আহত হয়। তাদের দ্রুত উদ্ধার করে উপজেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হলে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। ফাতেমার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে হস্তান্তর করা হয়েছে। এই ব্যাপারে ভাড়া কলোনীর মালিক জালাল আহমদ জানান,এখনো আগনের উৎস সম্পর্কে জানতে পারিনি। তবে ফায়ার সার্ভিসের অবহেলায় আমাদের পুরো ভাড়া বাসাটি পুঁেড় ছাই হয়ে গেছে। এই ঘটনার খবর পেয়ে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মঈন উদ্দিনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি জানান,আমরা এসে ধানের আড়ত রক্ষা করতে না পারলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কয়েক কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেত।

শেয়ার করুন