৭ মার্চ, ২০২৬ | ২২ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ১৭ রমজান, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন   ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার   ●  অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্য বোরহান উদ্দিনের বিবৃতি

টাকা জমানোর সহজ উপায়গুলো জেনে নিন

বিশেষজ্ঞরা বলেন, সাধারণত আয়ের ১০-১৫ শতাংশ সঞ্চয় করতে হয়। তাঁদের মতে, এমন একটা তহবিল গঠন করতে হবে, যার মাধ্যমে আপনি অনায়াসে তিন থেকে ছয় মাস কোনো উপার্জন ছাড়াই চলতে পারেন। এই পরিমাণ অর্থ জমাতে না পারলেও সমস্যা নেই। ছোট ছোট লক্ষ্য নির্ধারণ করুন। একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ একটা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জমানোর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করুন। কাজটি কয়েক দফায় করা যেতে পারে। একটা সময় দেখবেন, ছোট ছোট লক্ষ্য আপনার বড় লক্ষ্য পূরণ করেছে।

স্বয়ংক্রিয় সঞ্চয়

 
ব্যাংকে একটি সঞ্চয়ী হিসাব অবশ্যই খুলবেন। সেখানে প্রতি মাসে গিয়ে অর্থ জমা দেওয়া হয়তো আপনার কাছে বিরক্তিকর। এতে অভ্যস্ত হওয়াও কঠিন। সে ক্ষেত্রে আপনার সেভিংস অ্যাকাউন্টে অন্য কোনো অ্যাকউন্ট থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অর্থ জমা পড়বে—এমন ব্যবস্থা করে নিতে পারেন। তাহলে আর পেরেশানিতে পড়তে হবে না।

সঞ্চয়ী ক্লাব

 
এটাও সম্ভব। বাড়ির সব সদস্য মিলে অর্থ জমানোর লক্ষ্য নিন। সবাই মিলে একটা ক্লাব করে ফেলুন। এতে সঞ্চয়ের কাজটা উপভোগ্য হয়ে উঠবে। সবার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে একটা পরিমাণ অর্থ জমানোর লক্ষ্য নির্ধারিত হবে। কাজটা বন্ধুদের সঙ্গেও করা যায়। সব মিলিয়ে যে অর্থ জমা পড়বে, তাই হবে পরিবারের জরুরি মুহূর্তের তহবিল।

বাড়তি খরচ বাদ দিন

 
প্রত্যেকের জীবনেই এমন কিছু খরচ রয়েছে, যা বাড়তি। প্রতিদিনের জীবনযাপনে নজর দিলেই অবাঞ্ছিত খরচের হিসাব খুঁজে পাবেন। আপনার অর্থ কী কী খাতে যাচ্ছে, তার একটা বিস্তারিত তালিকা করে ফেলুন। দেখবেন, সেখানে এমন অনেক বিষয়ে আছে, যা না হলেও আপনার চলে।

অপ্রয়োজনীয় জিনিসকে ‘না’

 
এখন কেনাবেচা কঠিন কোনো কাজ নয়। বাড়িতে যা দরকার নেই বা পুরনো হয়ে গেছে, তা বিক্রি করে দিন। বেশ কিছু অর্থ তো আসবেই।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।