মূল খবরে যান

শিরোনাম
● রামুতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, যৌথ অভিযানে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ জব্দ● কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ● উখিয়ায় ৯ জীবিত বকসহ শিকারি আটক● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে

জালালাবাদে যৌতুকের দাবীতে মারধর, যন্ত্রনায় কাতরাচ্ছে গৃহবধু জেসমিন

শেয়ার করুন

 

 

কক্সবাজার সদরের জালালাবাদে যৌতুকের দাবীতে গৃহবধুকে বেধড়ক মারধর করেছে পাষন্ড স্বামী ও দুই ননদ। মারাত্নক আহত গৃহবধু জেসমিন আকতার এখন কক্সবাজার সদর হাসপাতালস্হ ওয়ান স্টেপ ক্রাইসিস সেল ওসিসি’তে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে। ২২ ফেব্রুয়ারী বর্নিত ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের বাহারছড়া গ্রামে উক্ত ঘটনা ঘটে। আহত গৃহবধু জেসমিন আকতার (২২) একই ইউনিয়নের দক্ষিন লরাবাগ গ্রামের সোলতান আহমদের মেয়ে।
জেসমিনের ভগ্নিপতি ছৈয়দ আলম জানান, বিগত ২০১২ সালে বাহারছড়া গ্রামের মৃত হাবিব উল্লাহর ছেলে মোঃ ফারুকের সাথে জেসমিনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাদের সংসারে এক ছেলে ও এক মেয়ের জন্ম হয়।
ভিকটিম জেসমিন আকতার জানান, বিয়ের পর থেকে প্রায়ই স্বামী ফারুক যৌতুকের জন্য তাকে নির্যাতন করত ও বাপের বাড়ী থেকে মোটা অংকের যৌতুক এনে দেয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করত। কিন্তু সন্তানদের মুখের দিকে তাকিয়ে শত নির্যাতন সহ্য করেও সংসার করে আসছিল জেসমিন।
কিন্তু গত ২২ ফেব্রুয়ারী ননদ লাকী আকতার শশুর বাড়ী থেকে বেড়াতে এলে ফারুককে বিভিন্ন কথা বলে উত্তেজিত করে তুলে। এরপর ফারুক যৌতুকের দাবীতে আবারো চড়াও হয় স্ত্রী জোসমিন আকতারের উপর। ভাইবোন মিলে একপর্যায়ে তাকে বেধড়ক মারধর শুরু করে। লোহার রড ও গাছের লাঠি দিয়ে মারার সময় অবিবাহিত ননদ কুলসুমাও তাদের সাথে যোগ দেয়। স্বামী ও দুই ননদের আমানুষিক মারধরের ফলে জেসমিনের মুখমন্ডল, হাত ও পিঠে মারাত্নক জখম হয়। এরপর স্হানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় বাপের বাড়ী চলে এলে আত্নীয় স্বজন তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে এনে ওয়ান ষ্টেপ ক্রাইসিস সেল (ওসিসি)তে ভর্তি করেন। সেই থেকে আহত গৃহবধু সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে। অভিযুক্ত স্বামী ফারুক ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। সংঘঠিত ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।

শেয়ার করুন