মূল খবরে যান

শিরোনাম
● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ

চকরিয়ায় বসতঘরে হামলা, কুপিয়ে জখমের মামলার আসামি গ্রেফতার

শেয়ার করুন

চকরিয়ায় পুলিশের অভিযানে বসতঘরে হামলা ও গৃহবধুকে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় থানায় দায়ের করা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি মো: আলমগীরকে ৪ মাস পর গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার উপজেলার বিএমচর ইউনিয়নের বহদ্দারকাটা স্টেশন থেকে এএসআই আবদুর রাজ্জাকসহ পুলিশের একটিদল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করেন। আলমগীর ওই এলাকার মৃত সামসুল হক সিকদারের ছেলে।
চলতিবছরের ২৩ ফেব্রুয়ারী চকরিয়া থানায় দায়ের করা মামলার এজাহারে বাদি বিএমচর ইউনিয়নের উত্তর বহদ্দারকাটা গ্রামের রফিউল কাদেরের স্ত্রী রোকশানা বেগম (৩৮) জানান, স্বামীর পৈত্রিক বসতবাড়িতে পরিবার নিয়ে তাঁরা শান্তিপুর্ণভাবে বসবাস করলেও এলাকার কিছু দখলবাজ প্রকৃতির লোক তাঁর পরিবারকে উচ্ছেদের জন্য নানাভাবে অপচেষ্ঠা চালাতে শুরু করে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আসামি আলমগীর, সহযোগি রুবেল, আবুল কালাম, জন্নাতুল ফেরদৌছ ও ছকিনা খাতুনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন।
বাদি রোকশানা বেগম দাবি করেন, আদালতে মামলা দেয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযুক্ত আসামি ১৭ ফেব্রুয়ারী বিকালে তাঁর বসতঘরে ঢুকে হামলা করে। এসময় তাকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্ঠা করা হলেও অল্পের জন্য তিনি রক্ষা পান। কিন্তু ওইসময় তাঁর হাতের আঙ্গুল কেটে যায়। ঘটনার সময় হামলাকারীরা তাঁর বাড়ি থেকে স্বর্ণালঙ্কার, মোবাইল সেটসহ প্রায় ৭০ হাজার টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে। ঘটনার পর পরিবার সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন। এরপর তিনি সুস্থ হয়ে ২৩ ফেব্রুয়ারী থানায় বাদি হয়ে হামলাকারী আলমগীরসহ ৫জনের নাম উল্লেখ্য করে আরো ৪-৫জনকে অজ্ঞাত আসামি দেখিয়ে একটি মামলা (নং ৫৬) দায়ের করেন।
মামলার বাদি রোকশানা বেগম জানান, তদন্ত শেষে থানা পুলিশ মামলার অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করেন। এরপর আদালত আসামি আলমগীরের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেন। প্রায় ৪ মাস পলাতক থাকার পর বৃহস্পতিবার পুলিশের একটিদল উপজেলার বিএমচর ইউনিয়নের বহদ্দারকাটা স্টেশন থেকে আসামি আলমগীরকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন।

শেয়ার করুন