মূল খবরে যান

শিরোনাম
● সাংবাদিক এ এইচ সেলিম উল্লাহর মা আর নেই● রামুতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, যৌথ অভিযানে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ জব্দ● কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ● উখিয়ায় ৯ জীবিত বকসহ শিকারি আটক● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’

চকরিয়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের পাঠদান বন্ধ রেখে বিশ্রামে আছেন শিক্ষক!

শেয়ার করুন

এম.জিয়াবুল হক,(চকরিয়া): চকিরয়া উপজেলার ঢেমুশিয়ায় সরকারী প্রথমিক বিদ্যালয়ের নীতিমালা উপেক্ষা করে একটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ৬দিন বন্ধ দিয়েছে শিক্ষকরা। উপজেলা অথবা জেলা শিক্ষা অফিসকে অবহিত না করে বার্ষিক পরীক্ষার আগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ১৮ নভেম্বর থেকে ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত বন্ধ দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বিক্ষুদ্ধ অভিভাবক। স্কুলটি বন্ধ দিয়ে বাড়ীতে বিশ্রামে আছেন শিক্ষক। চকরিয়া উপজেলার দক্ষিণ-পশ্চিম ঢেমুশিয়া ফয়েজ আহমদ চৌধুরী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক, উপজেলা শিক্ষা অফিসারের নিকট মোবাইল ফোনে অভিযোগ করেছে।

এলাকার অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা জানান, চকরিয়া উপজেলার দক্ষিণ-পশ্চিম ঢেমুশিয়া ফয়েজ আহমদ চৌধুরী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংখ্যা হচ্ছে ৪জন। তন্মধ্যে প্রধান শিক্ষক সহ ৩ জন পিএসসি পরীক্ষার হল পরিদর্শকের দায়ীত্ব নিয়ে বিভিন্ন সেন্টারে যায়। বাকী রোহেনা আক্তার নামক এক মহিলা শিক্ষিকাকে স্কুল খোলা রেখে শিক্ষার্থীদের পড়ানোর দায়িত্ব দিয়ে যান। কিন্তু ওই শিক্ষিকা কর্তৃপক্ষকে অবহিত না করে স্কুলটি ৬ দিনের জন্য বন্ধ ঘোষনা করেন।

কিন্তু বন্ধের খবর জানেন না স্কুল কমিটির সভাপতি সহ সংশ্লিষ্টরা। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে স্থানীয় এলাকাবাসী। প্রথমিক বিদ্যালয়ের নীতিমালা উপেক্ষা করে একটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ৬দিন বন্ধ দিয়েছে শিক্ষকরা। উপজেলা অথবা জেলা শিক্ষা অফিসকে অবহিত না করে বার্ষিক পরীক্ষার আগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ১৮ নভেম্বর থেকে ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত বন্ধ দিয়েছে। স্কুল বন্ধ দিয়ে বাড়ীতে বিশ্রামে আছেন শিক্ষিকা রোহেনা। চকরিয়া উপজেলার দক্ষিণ-পশ্চিম ঢেমুশিয়া ফয়েজ আহমদ চৌধুরী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক, উপজেলা শিক্ষা অফিসারের নিকট মোবাইল ফোনে অভিযোগ করেছে।

স্কুলের প্রধান শিক্ষক নাসির উদ্দীনের কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি পিএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে পরিদর্শকের দায়ীত্ব পালন করছেন দাবী করে বলেন, স্কুল বন্ধ দেয়ার কথা সত্য নয়। অপরদিকে সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা আবু জাফর ঘটনাটি তদন্ত করছেন বললে ও শেষ পর্যন্ত কোন প্রতিক্রীয়া জানাননি।

শেয়ার করুন