মূল খবরে যান

শিরোনাম
● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল

চকরিয়ায় বসতবাড়ির সেপটি ট্যাংক খননকালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার মটার সেল উদ্ধার

শেয়ার করুন

এম জিয়াবুল হক, চকরিয়া

কক্সবাজারের চকরিয়ায় বসতবাড়ির সেপটি ট্যাংক খননকালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার অবিস্ফোরিত একটি মর্টার শেল উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১০নভেম্বর) উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের রংমহল এলাকার মো.আজিম উদ্দিনের বাড়ির সেফটি ট্যাংক খনন করার সময় এই মর্টার শেলটি পাওয়া যায়।

পরে শুক্রবার (১১ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে চকরিয়া থানা ও সেনাবাহিনীর একটি দল এই মর্টার শেলটি বিস্ফোরণ ঘটিয়ে নষ্ট করে ফেলে।

বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাসানুল ইসলাম আদর। তিনি বলেন, রংমহল এলাকার মো.আজিম উদ্দিন তার বাড়িতে সেফটি ট্যাংক খনন করছিলো। এসময় মাটির নিচে লম্বা ও গোল আকৃতির একটি লোহার বস্তু দেখতে পাই। তিনি বিষয়টি আমাকে জানালে আমি চকরিয়া থানার ওসিকে অবহিত করি।

পরে বৃহস্পতিবার রাত দশটার দিকে কক্সবাজার জেলা পুলিশের সহকারি পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল) মো তফিকুল আলম ও চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চন্দন কুমার চক্রবর্তীসহ একদল পুলিশ এসে লোহার বস্তটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার অবিস্ফোরিত মর্টার শেল বলে নিশ্চিত হন। পরবর্তীতের ওই অবিস্ফোরিত মর্টার শেলটি পুলিশের হেফাজতে নেয়।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চন্দন কুমার চক্রবর্তী বলেন, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাসানুল ইসলাম আদরের কাছ থেকে মাটির নিচে মর্টার শেলের মতো একটি লোহার বস্তু পাওয়ার খবর পেয়ে এএসপি স্যারসহ ঘটনাস্থলে যায়।

এটি দেখে নিশ্চিত হয় ওই লোহার বস্তুটি অবিস্ফোরিত মর্টার শেল। পরে ওই অবিস্ফোরিত মর্টার শেলটি উদ্ধার করে নিরাপদ জায়গায় স্থানান্তর করি। পরে সেনাবাহিনীর রামু ক্যান্টেনমেন্টকে বিষয়টি জানায়। শুক্রবার সকালে সেনাবাহিনীর রামু ক্যান্টেনমেন্টের একটি টিম এসে ওই অবিস্ফোরিত মর্টার শেলটির বিস্ফোরণ ঘটনো হয়।

শেয়ার করুন