২৯ জুন, ২০২৬ | ১৫ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ১৩ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি

গাঙচিল পাখির জন্য চিপস

gang-chil-1

গাঙচিল ভবঘুরে প্রজাতির পাখি। ছোট গঠনের এ পাখিটি উপকূলীয় অঞ্চলের নদ-নদীতে দেখা যায়। মিষ্টি পানির চেয়ে লবণাক্ত পানিতে বিচরণ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে এ পাখি। গাঙচিলের ডাক বেশ কর্কশ। চলাচলরত নৌযানকে অনুসরণ করতে দেখা যায় প্রায়ই। নৌযানের পেছন পেছন চক্কর মেরে উড়ে জলে ঝাঁপিয়ে পড়ে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে। মাঝে মধ্যে ‘ক্রাআ-ক্রাআ’ সুরে ডাক দেয়। এপ্রিল থেকে আগষ্ট মাসে গাঙচিলের প্রজনন ঘটে।
টেকনাফ-সেন্টমার্টিনের সাগর পথে জাহাজে আসা-যাওয়ার পথে অসংখ্য গাঙচিল পাখি পর্যটকদের সঙ্গী হয়ে উড়তে দেখা যায়। ভ্রমনপিপাসু পর্যকরা চিপস ছুড়ে মারলে পানিতে পড়ার আগেই গাংচিল ছো মারে চিপস নেয়। জাহাজের পেছন পেছন সেন্টমার্টিন থেকে আসা গাঙচিল পাখিগুলো সাধারণত টেকনাফের নিকটবর্তী আবদুল জলিলের দ্বীপ নামক স্থানে আশ্রয় নেয়।

ছবি ও কথা: আবুল বাশার নয়ন

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।