১৭ মার্চ, ২০২৬ | ৩ চৈত্র, ১৪৩২ | ২৭ রমজান, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  উখিয়ায় মাত্তুল শফিকের নেতৃত্বে ছাত্রদল নেতাদের উপর সন্ত্রাসী হামলা   ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন   ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার

গাঙচিল পাখির জন্য চিপস

gang-chil-1

গাঙচিল ভবঘুরে প্রজাতির পাখি। ছোট গঠনের এ পাখিটি উপকূলীয় অঞ্চলের নদ-নদীতে দেখা যায়। মিষ্টি পানির চেয়ে লবণাক্ত পানিতে বিচরণ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে এ পাখি। গাঙচিলের ডাক বেশ কর্কশ। চলাচলরত নৌযানকে অনুসরণ করতে দেখা যায় প্রায়ই। নৌযানের পেছন পেছন চক্কর মেরে উড়ে জলে ঝাঁপিয়ে পড়ে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে। মাঝে মধ্যে ‘ক্রাআ-ক্রাআ’ সুরে ডাক দেয়। এপ্রিল থেকে আগষ্ট মাসে গাঙচিলের প্রজনন ঘটে।
টেকনাফ-সেন্টমার্টিনের সাগর পথে জাহাজে আসা-যাওয়ার পথে অসংখ্য গাঙচিল পাখি পর্যটকদের সঙ্গী হয়ে উড়তে দেখা যায়। ভ্রমনপিপাসু পর্যকরা চিপস ছুড়ে মারলে পানিতে পড়ার আগেই গাংচিল ছো মারে চিপস নেয়। জাহাজের পেছন পেছন সেন্টমার্টিন থেকে আসা গাঙচিল পাখিগুলো সাধারণত টেকনাফের নিকটবর্তী আবদুল জলিলের দ্বীপ নামক স্থানে আশ্রয় নেয়।

ছবি ও কথা: আবুল বাশার নয়ন

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।